যশোরের কেশবপুরে ককটেল বিস্ফোরণে জুয়েল সরদার (২৬) নামের এক তরুণ আহত হয়েছেন। শনিবার সকালে কেশবপুর শহরের যশোর–সাতক্ষীরা আঞ্চলিক মহাসড়কের মধ্যকুল নাথপাড়া সড়কের পাশে এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিকে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

জুয়েল সরদার কেশবপুরের মধ্যকুল নাথপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে স্প্লিন্টার ও কাচের গুলিসদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে। সেখানে দুটি পোঁটলা পড়ে থাকতে দেখা গেছে। নিরাপত্তার জন্য ঘটনাস্থল ঘিরে রাখা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। এসব পোঁটলা নিষ্ক্রিয় করার জন্য পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মধ্যকুল নাথপাড়া সড়কের পাশে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে জুয়েলকে আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, জুয়েলের ডান পায়ে ব্যান্ডেজ করা হয়েছে। পায়ের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

সকালে বাড়ির বারান্দায় বসে ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা মঞ্জুয়ারা বেগম। তিনি বলেন, ‘সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ বিকট শব্দ শুনতে পাই। পরে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি, জুয়েল আহত অবস্থায় কাতরাচ্ছেন।’

তবে আহত ব্যক্তির পায়ের ক্ষতস্থানে বারুদের গন্ধ বা বারুদে পোড়ার মতো কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জিহাদুল ইসলাম।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকসানা খাতুন। তিনি জানান, গুলিসদৃশ ককটেল বিস্ফোরণে জুয়েল আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে স্প্লিন্টার উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে কাচের গুলিসদৃশ দুটি পোঁটলাও পাওয়া গেছে।

বিকেল চারটার দিকে ওসি রোকসানা খাতুন মুক্তকণ্ঠকে জানান, জুয়েলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাঁকে এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি। তবে এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপের প্রক্রিয়া চলছে।