সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে গাজীপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও ডাকসুর সাবেক ভিপি আখতারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।
রিমান্ড শেষে আখতারুজ্জামানকে আদালতে হাজির করে তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ডিবি-র তেজগাঁও জোনাল টিমের পরিদর্শক মো. মাসুদুর রহমান। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন তাঁর মক্কেলের জামিন আবেদন করার পাশাপাশি কারাগারে ডিভিশন ও চিকিৎসার জন্য পৃথক আবেদন দাখিল করেন।
আইনজীবী মোরশেদ হোসেন মুক্তকণ্ঠকে বলেন, "মামলার মূল নথি আদালতে না থাকায় আজ জামিন আবেদনের শুনানি হয়নি। আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে কারাবিধি অনুযায়ী ডিভিশন ও চিকিৎসা দেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করে আদেশ দিয়েছেন আদালত।"
গত ৫ আগস্ট রাতে গুলশানের একটি বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারের পরদিন তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং ১০ আগস্ট আদালত তাঁর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৮ জুন সকালে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার মহাখালী বাস টার্মিনালসংলগ্ন এলাকায় নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৩৫ থেকে ৪০ জন নেতা-কর্মী মিছিল বের করেন। পুলিশের অভিযোগ, ওই মিছিল থেকে সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়া হয় এবং ককটেল বিস্ফোরণের মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়। রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগে পুলিশ এই মামলা দায়ের করে।