চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে থাকা সব পুকুর ও ডোবাকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর ফলে এসব জলাশয়ে সাঁতার কাটা বা পানিতে নামা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই ক্যাম্পাসের সব পুকুরকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, "পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনো পুকুরে নামা, সাঁতার কাটা বা পানিতে প্রবেশ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।"
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আরও সতর্ক করে জানিয়েছে যে, এই নির্দেশনা অমান্য করে কেউ পুকুরে প্রবেশ করলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিপন্থী আচরণ হিসেবে গণ্য হবে। সেক্ষেত্রে "সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি অনুযায়ী শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
বর্তমানে চুয়েট ক্যাম্পাসে দুটি পুকুর এবং একাধিক ডোবা রয়েছে। সম্প্রতি একটি পুকুরে ডুবে তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনার পর এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার ওই পুকুরে গোসল করতে নেমে ডুবে মারা যান কম্পিউটারবিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী চমক দত্ত এবং তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের একই বর্ষের শিক্ষার্থী শান্ত দেব। এর আগে গত ২৮ জুলাই একই পুকুরে ডুবে প্রাণ হারান যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অর্ণব সাহা।