জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদন এখন থেকে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারাই নিষ্পত্তি করতে পারবেন। আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে।
নতুন এই নির্দেশনা অনুযায়ী, উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসার, সিনিয়র জেলা বা জেলা নির্বাচন অফিসার এবং এনআইডি উইংয়ের সহকারী পরিচালক, উপপরিচালক বা পরিচালকেরা জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদনগুলো নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা পাবেন।
পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, অনলাইনে যাচাইযোগ্য জেএসসি বা মাধ্যমিক-সমমান শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে জন্মতারিখ সংশোধনের আবেদনগুলো ‘ক’ ক্যাটাগরিভুক্ত হিসেবে গণ্য হবে এবং মাঠপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তা নিষ্পত্তি করবেন। তবে এই প্রক্রিয়ায় শিক্ষা সনদের পাশাপাশি অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রমাণ বা দলিল গ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
সংশোধন আবেদন ইলেকট্রনিক্যালি অনুমোদন বা বাতিলের ক্ষেত্রে সিএমএসে আবশ্যিকভাবে নোট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়ার তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের ওপর। এছাড়া, দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে প্রতি মাসে প্রত্যেক নিষ্পত্তিকারী কর্মকর্তার ন্যূনতম ৩টি আবেদন যথাযথভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে কি না, তা যাচাই করে একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে হবে। এই প্রতিবেদনটি পরিচালকের (অপারেশনস) অভ্যন্তরীণ অ্যাকাউন্টে পাঠাতে হবে।
তবে সব ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ে নিষ্পত্তি সম্ভব হবে না। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ অনুযায়ী জন্মতারিখ সংশোধন এবং জন্মতারিখসহ নিজ নাম ও পিতা-মাতার নামের সম্পূর্ণ পরিবর্তনের আবেদনগুলো মহাপরিচালক পর্যায়ে নিষ্পত্তি করা হবে। একই সাথে জানানো হয়েছে, জন্মতারিখ, নিজ নাম ও পিতা-মাতার নামের সম্পূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একই ফিল্ডে দ্বিতীয়বার সংশোধন করা যাবে না।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, এ পরিপত্র অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।