নোয়াখালীর হাতিয়া-চেয়ারম্যানঘাট নৌপথে ফেরি ‘মহানন্দা’ ডুবোচরে আটকে পড়ে প্রায় চার ঘণ্টা। এ সময় নদীতে প্রচণ্ড ঢেউ ও তীব্র বাতাসের কারণে ফেরিটি চলাচল করতে পারেনি, যা যাত্রী ও যানবাহনের চালকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে হাতিয়ার নলচিরা ঘাট থেকে চেয়ারম্যানঘাটের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে ফেরি মহানন্দা। নদীর মাঝপথে পৌঁছানোর পর এটি ডুবোচরে আটকে যায়। ফেরিটি দীর্ঘ সময় ধরে আটকে থাকায় যাত্রীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা দেখা দেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ফেরিটি আটকে থাকার সময় নদীতে তীব্র বাতাস ও বিশাল ঢেউ ছিল। অনেক যাত্রী নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানোর শঙ্কায় পড়ে যান। ফেরি মহানন্দার মাস্টার তোফাজ্জল হোসেন বলেন, "নদীতে ডুবোচরের কারণে ফেরিটি আটকে যায়। দুপুর সাড়ে ১২টায় নলচিরা ঘাট থেকে ছেড়ে ২টায় চেয়ারম্যান ঘাটে পৌঁছানোর কথা থাকলেও বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ এটি মাঝনদীতে আটকে ছিল।"
তিনি আরও জানান, "প্রচণ্ড ঢেউ ও বাতাসের কারণে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে। দীর্ঘ সময় পর জোয়ার ও পরিস্থিতি কিছুটা অনুকূলে এলে ফেরিটি গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।"
ফেরি মহানন্দার পরিচালক ফয়সাল বলেন, "নদীতে বিভিন্ন স্থানে পলি জমে ডুবোচর তৈরি হওয়ায় নৌযান চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।" তিনি জানান, চালকদের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে হচ্ছে।
হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল বলেন, "ডুবোচরের কারণে ফেরি মহানন্দা মাঝনদীতে প্রায় চার ঘণ্টা আটকে থাকায় যাত্রী ও চালকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। তবে পরবর্তীতে জোয়ার এলে ফেরিটি নিরাপদে গন্তব্যের দিকে যাত্রা করে।"