‘টাকা দিয়ে বিদেশে বসে মাল খাব, তবুও টাকা বাংলাদেশে দেব না’—বাংলাদেশের জুলাই গণ–অভ্যুত্থান নিয়ে যাঁরা কথা বলেন, তাঁদের অনেকের কাছেই এই উক্তি পরিচিত। দেশে ছাত্র–জনতা যখন আন্দোলনে রাজপথ উত্তাল করে রেখেছে, ফ্যাসিবাদী সরকার ও রাষ্ট্রযন্ত্রের আঘাতে মানুষ মরছে, তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিক হাতে একটি মদের বোতল নিয়ে ছবি তুলে এই কথাগুলো পোস্ট করেন।
প্রথম দেখায় কথাগুলো আপাতদৃষ্টিতে হাস্যকর মনে হলেও, ওই সময়ে স্লোগানটি প্রবাসীদের ‘রেমিট্যান্স শাটডাউন’–এর ধারণা ও অবস্থানকে স্পষ্টভাবে ধরতে পেরেছিল। তখন বোঝা যায়—প্রবাসীদের রেমিট্যান্স বন্ধ করে দেশে টাকা না পাঠানোর মতো অবস্থান মাঠের আন্দোলনের পক্ষে সহায়ক শক্তি হিসেবেও কাজ করতে পারে। জুলাইয়ের প্রথম ১৩ দিনে রেমিট্যান্সের প্রবাহ স্বাভাবিক থাকলেও এরপরের দিনগুলোতে তা অস্বাভাবিকভাবে কমে যায়। ফলে আগে থেকেই অর্থনৈতিক চাপে থাকা হাসিনা সরকার আরও চাপের মুখে পড়ে।
এর পাশাপাশি সরকার এক পর্যায়ে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়। তবু প্রবাসীরা নানা উপায়ে দেশের খবর সংগ্রহ করে সারা দুনিয়ায় তা জানাতে থাকেন। অনেক জায়গায় প্রতিবাদলিপি হাতে দাঁড়িয়ে পড়ে মানুষ। এমনকি প্রতিবাদ করতে গিয়ে সেই সব দেশেও কারাবন্দী হওয়ার ঘটনাও ঘটে। এই ধরনের প্রতিক্রিয়া হাসিনাশাহির ওপর চাপ বাড়াতে থাকে।
প্রবাসীদের এই সামষ্টিক শক্তির সঙ্গে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিও জড়িয়ে আছে। তখনও বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীরা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের চিত্র তুলে ধরেন। জর্জ হ্যারিসন, রবিশঙ্করের মতো বিশ্বখ্যাতদের আবেদনেও সাড়া আসে—তাঁরা বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির লড়াইয়ে অংশ নেন।
হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে প্রবাসীদের ভূমিকা শুধু জুলাইতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন মতামত প্রকাশ করা সহজতর। দেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ঘাটতি থাকলেও বিদেশের মাটিতে বসে অনেক প্রবাসী সরকারবিরোধী প্রচারণা করেছেন, জনমত গঠন করেছেন। কেবল ব্লু কলার, অর্থাৎ কায়িক পরিশ্রম করা শ্রমিকেরাই এতে সম্পৃক্ত ছিলেন—এমন নয়; হোয়াইট কলার, অর্থাৎ বাবুগিরি কাজের সঙ্গে যুক্তরাও তীব্রভাবে অংশ নিয়েছেন।
সরকারি তথ্যমতে, বাংলাদেশ থেকে গত ১০ বছরে ৮৬ লাখের বেশি মানুষ প্রবাসী হয়েছেন। অবৈধ পন্থাতে আরও অনেক বেশি মানুষ ভাগ্যান্বেষণে দেশ ছেড়েছেন। গ্রামের অল্প শিক্ষিত যুবক, যাঁদের জন্য দেশে যথেষ্ট পরিমাণে কর্মসংস্থান নেই, তাঁরা যেমন দেশ ছাড়েন, তেমনি আরেক শ্রেণির মানুষও দেশ ছাড়েন—উচ্চশিক্ষিত, সর্বোচ্চ মেধাবী ও দক্ষ মানুষেরা।
এই দ্বিতীয় শ্রেণির মানুষেরা দেশ ছাড়েন বা ছাড়তে বাধ্য হন—কারণ, তাঁদের উপযুক্ত সুযোগ এই দেশে নেই। দেশের সরকার বা উদ্যোক্তারা এই মেধাবী মানুষদের আটকে রাখার যথেষ্ট উদ্যোগ নেন না। তদুপরি কর্মপরিবেশে হরেদরে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, রাজনীতির অপব্যবহারে মেধাবীদের একটা বড় অংশ বঞ্চিত ও অনিরাপদ বোধ করেন। তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতেও এই বাস্তবতা নিয়মিত। একে ‘ব্রেন ড্রেন’ নামে আখ্যা দেওয়া হয়।
তবু এই মানুষগুলো দেশের ভালোর সঙ্গে যুক্ত হতে চান। দেশের মন্দ দেখলে তাঁদের অস্থির লাগে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমিক হোক কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিতে কাজ করা বাংলাদেশি হোক—নির্বিশেষে অনেকেই জুলাই আন্দোলনে ভূমিকা রাখতে চান।
আর হাসিনা পালানোর পর দেশের মানুষ যখন নতুন আশায় বুক বাঁধে, দেশকে নতুন করে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখে, তখন প্রবাসীরাও সেই স্বপ্নের সঙ্গে যুক্ত হতে থাকে। এর প্রভাবে ‘রিভার্স ব্রেন ড্রেন’ শব্দটি জনপ্রিয় হয়। বিদেশে থাকা দক্ষ বাংলাদেশিরা ভাবতে থাকেন—দেশ গড়তে নিজেদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাবেন।
আধুনিক দুনিয়ায় এর উদাহরণও আছে প্রচুর। পাশের দেশ ভারতেই এর ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে। ভারতের বেঙ্গালুরুকে দুনিয়ার অন্যতম টেক হাব হিসেবে গড়ে তোলার প্রায় পুরো কৃতিত্বই প্রবাসী হোয়াইট কলার বা ডায়াসপোরাদের। তাঁরা একই সঙ্গে বিনিয়োগ, অভিজ্ঞতা ও মেধা ব্যয় করে নিজের দেশে বিশাল ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলেছেন।
একইভাবে কমিউনিস্ট–শাসিত চীনেও এই প্রভাব পড়েছে। গত শতকের শেষ দিক থেকে চীনা অনাবাসীরা সে দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছেন। ভারতের মতো বড় দেশ ছাড়াও তাইওয়ানের মতো ছোট দেশেও অনাবাসীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের সুফল মিলছে। বলা যায়, তাইওয়ানের প্রযুক্তিনির্ভর বিশেষত মাইক্রোচিপ ইন্ডাস্ট্রির পুরোটাই অনাবাসীদের গড়া। এমনকি পাকিস্তানের মতো প্রায় ব্যর্থ রাষ্ট্রকেও আগলে রাখায় প্রবাসীদের উদ্যোগ কাজ করছে।
সেনেগালে ফেরত আসা অনাবাসীরা সে দেশে গড়ে তুলেছেন দুর্দান্ত কার্যকর এসএমই ইন্ডাস্ট্রি। ঘানা, উগান্ডা, মোজাম্বিকের ফেরত আসা অনাবাসীরা গণস্বাস্থ্য ও নারী অধিকারের মতো জরুরি বিষয় নিয়ে দারুণ কাজ করে সে দেশের অর্থনীতি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন। নিজেদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত ও দরিদ্র দেশগুলোকে সাহায্য করছেন ঘুরে দাঁড়াতে।
বৈশ্বিক অর্থনীতি ও রাজনীতির অবস্থা বিবেচনায় বিষয়টা আরও জরুরি। পশ্চিমা দেশগুলোতে এখন লোকরঞ্জনবাদের উত্থান হচ্ছে। প্রবাসীরা তো বটেই, কয়েক প্রজন্ম আগে যাঁদের পূর্বপুরুষেরা সেসব দেশে গিয়েছিল, তাঁরাও নানা রকম বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। অর্থনৈতিক চাপের কারণে এই মানুষেরা সেসব দেশেও আয়রোজগারে সুবিধা করতে পারছেন না। আগের মতো এসব দেশ আর মেধাবীদের স্বর্গরাজ্য হয়ে নেই।
আদতে গণতন্ত্র ও সাম্যের কথা বলা হলেও পশ্চিমা দেশগুলোতে সব সময়েই নানা রকম বর্ণবাদ ছিল। বিদেশিদের সব সময়েই নিচু চোখেই দেখা হতো। এখন পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। তবে দুনিয়া কেবল পশ্চিমনির্ভরও নয়। বিশ্বায়ন ও প্রযুক্তির কারণে দুনিয়ার অন্যান্য প্রান্তেও সুযোগ বাড়ছে। ভারতের কথা তো বলাই হলো। এশিয়ার দেশ জাপান, কোরিয়া, এমনকি আফ্রিকার দেশগুলোতেও এই সুযোগ বাড়ছে।
কার্ল মার্ক্স বলেছিলেন, পুঁজির সীমানা থাকে না, শ্রমিকের থাকে। দীর্ঘদিন ঔপনিবেশিক শাসক আর ধনী দেশগুলো এই কথাকে কাজে লাগিয়েছে—মেধা ও অভিজ্ঞতা কেবল এক দিকেই প্রবাহিত হতো। কিন্তু এখন একটি পাল্টাস্রোতের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। গরিব দেশের মেধাবী সন্তানেরা ধনী দেশে নিজেদের শাণিত করে পুঁজি আর দক্ষতা নিয়ে ফিরে আসার সুযোগ পাচ্ছেন।
এটার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ‘ঘরে ফিরে আসার’ তৃপ্তি। এমনকি যেই ছেলেটা বা মেয়েটার পূর্বপুরুষ তিন প্রজন্ম আগে দেশ ছেড়েছিল, সে–ও ফিরে আসার সুযোগ খুঁজছে। এই তৃপ্তির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে সম্মান, যেই সম্মান সে পরবাসে পায় না। এই চিত্র দেখা গেল সম্প্রতি শেষ হওয়া বিশ্বকাপ ফুটবলে।
একসময় আফ্রিকাসহ ঔপনিবেশিক দেশগুলো থেকে সেরা প্রতিভারা বাধ্য হয়ে উন্নত দেশে যেত। তাঁদের মধ্যে যাঁরা সেরা হতেন, তাঁরা সেই দেশটির হয়েই খেলতেন। গত শতকের শেষ দিক থেকে ফ্রান্সের ফুটবল–বিশ্বে অন্যতম পরাশক্তি হয়ে ওঠা এবং একাধিক বিশ্বকাপ জেতার পেছনে বড় ভূমিকা ছিল আফ্রিকা থেকে আসা তরুণ অথবা তাঁদের বংশধরদের। নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, ইংল্যান্ডেও একই ঘটনাই দেখা গেছে।
তবে সাম্প্রতিক বিশ্বকাপে দেখা গেছে, সাড়াজাগানো দল মরক্কোর ক্ষেত্রে উল্টোটা ঘটছে। একসময় মরক্কো ছেড়ে ইউরোপে থিতু হওয়াদের সন্তানেরা ইউরোপে সেরা সুবিধা ও সুযোগ পেয়ে নিজেদের বিশ্বমানে উন্নীত করে এখন মরক্কোর হয়ে খেলছেন। এই ঢেউ আছড়ে পড়ছে অন্যান্য দেশেও।
এমনকি বাংলাদেশও। দুনিয়ার সবচেয়ে দামি লীগ ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে খেলা হামজা চৌধুরী মায়ের সুবাদে বাংলাদেশের হয়ে খেলছেন। এর আগে ডেনমার্কে বড় হওয়া জামাল ভূঁইয়া লাল–সবুজ জার্সি পরেছেন, দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। জামালের দেখানো পথে এসেছেন তারিক কাজী। হামজার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন কানাডায় বড় হওয়া শমীত সোম। অপেক্ষায় আছেন ইংলিশ লীগের ক্লাব ফুলহামের তরুণ প্রতিভা ফারহান আলী ওয়াহিদ।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পর অনেক কিছুই স্বপ্নের মতো হয়নি। অনেক ক্ষোভ, অনেক অপ্রাপ্তি রয়েছে। অনেক শঙ্কা ও হতাশার জন্ম হয়েছে। কিন্তু কিছু সুযোগ এখনো রয়ে গেছে।
বাংলাদেশে হয়তো হরেদরে রিভার্স ব্রেন ড্রেন সম্ভব নয়, কিন্তু প্রবাসীদের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও অর্থ কাজে লাগানোর দারুণ সুযোগ আছে। যে প্রবাসী টাকা না পাঠিয়ে ‘মাল’ খেতে চেয়েছিলেন, তাঁর জন্য এই নিশ্চয়তা দেওয়া জরুরি যে আপনি দেশের সূর্যসন্তান হয়ে উঠবেন।
দেশকে রাহুর গ্রাস থেকে মুক্ত করার চেয়ে সম্ভবত অনেক কঠিন হলো দেশকে এগিয়ে নেওয়া। সেই যাত্রায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবাসীদের উপযুক্তভাবে ব্যবহার করতে না পারলে জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের স্বপ্ন পূরণ হবে না।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পর অনেক কিছুই স্বপ্নের মতো হয়নি। অনেক ক্ষোভ, অনেক অপ্রাপ্তি রয়েছে। অনেক শঙ্কা ও হতাশার জন্ম হয়েছে। কিন্তু কিছু সুযোগ এখনো রয়ে গেছে। বাংলাদেশে হয়তো হরেদরে রিভার্স ব্রেন ড্রেন সম্ভব নয়, কিন্তু প্রবাসীদের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও অর্থ কাজে লাগানোর দারুণ সুযোগ আছে। যে প্রবাসী টাকা না পাঠিয়ে ‘মাল’ খেতে চেয়েছিলেন, তাঁর জন্য এই নিশ্চয়তা দেওয়া জরুরি যে আপনি দেশের সূর্যসন্তান হয়ে উঠবেন।
এক হিসাবে দেখা গেছে, অনাবাসী ভারতীয়রা বছরে গড়ে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি দেশে বিনিয়োগ করেন। এর মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রি তো গড়ে উঠেই, ভারতের তরুণদের জন্য শুধু কর্মসংস্থানই নয়, সর্বোচ্চ বিকাশেরও সুযোগ তৈরি হয়। এই ভারতীয় তরুণেরাই এখন দুনিয়ার বড় টেক কোম্পানিগুলোতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
এমনকি পশ্চিমা নয়—চীনেও অনাবাসীদের ভূমিকা স্পষ্ট। গত শতকের শেষ দিক থেকে চীনা অনাবাসীরা সে দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছেন। তাইওয়ানের প্রযুক্তিনির্ভর, বিশেষত মাইক্রোচিপ ইন্ডাস্ট্রিরও বড় অংশ অনাবাসীদের হাতে গড়ে ওঠেছে বলে উল্লেখ করা হয়। পাকিস্তানের মতো প্রায় ব্যর্থ রাষ্ট্রকেও আগলে রাখার ক্ষেত্রে প্রবাসীদের উদ্যোগের কথাও ওঠে।
সেনেগাল, ঘানা, উগান্ডা, মোজাম্বিকের মতো বিভিন্ন দেশে ফেরত আসা অনাবাসীদের উদ্যোগের কথাও বলা হয়েছে। এসব উদ্যোগ গণস্বাস্থ্য, নারী অধিকারের মতো জরুরি ইস্যুতে কাজের মধ্য দিয়ে অর্থনীতি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে—এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত ও দরিদ্র দেশগুলোকে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তার দিকটিও তুলে ধরা হয়।
সার্বিকভাবে বৈশ্বিক পরিস্থিতি, পশ্চিমা দেশগুলোর বর্ণবাদ ও লোকরঞ্জনবাদের উত্থান, আবার প্রযুক্তির অগ্রগতিতে অন্যান্য অঞ্চলেও সুযোগ বাড়ার বিষয়গুলো বিবেচনায় এনে বলা হয়—এখন পাল্টাস্রোতের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। গরিব দেশের মেধাবী সন্তানরা ধনী দেশে নিজেদের শাণিত করে পুঁজি ও দক্ষতা নিয়ে ফিরতে পারছে। ‘ঘরে ফিরে আসার’ তৃপ্তি, সম্মান এবং সুযোগ—সব মিলিয়ে এই প্রবণতা আরও বিস্তৃত হচ্ছে।
সৈয়দ ফায়েজ আহমেদ গবেষক ও লেখক
মতামত লেখকের নিজস্ব