নোয়াখালীর কবিরহাটে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর আজাদ হোসেন নামে এক যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাতে কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ঘোষবাগ গ্রামের একটি ডোবা থেকে তার লাশটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত মরদেহের গলায় রশি প্যাঁচানো ছিল এবং চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

নিহত আজাদ হোসেন ওই গ্রামের হানিফ মিয়ার বাড়ির মৃত ফজল হকের ছেলে। তিনি কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে আজাদ হোসেন বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সম্ভাব্য স্থানে খোঁজাখুঁজি করলেও তার কোনো সন্ধান পাননি। অবশেষে শুক্রবার বিকেল প্রায় ৫টার দিকে বাড়ির পাশের একটি ডোবায় মরদেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।

এই ঘটনায় নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল বলেন, "আজাদ ব্যবসা করতেন। তিনি যুবদলের সক্রিয় নেতা ছিলেন। তার মৃত্যুর রহস্য দ্রুত উদঘাটন করে জড়িতদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।"

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোমেল বড়ুয়া জানান, "মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। তার গলায় রশি প্যাঁচানো ছিল এবং চোখের ওপর আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"