শরীয়তপুর সদর উপজেলার শৌলপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ভাষানী খান ও তাঁর সমর্থকদের বাড়িতে হামলার ঘটনায় মামলার আবেদন করেছেন এক ভুক্তভোগী। গতকাল শনিবার গভীর রাতে উপজেলার পালং মডেল থানায় মামলাটির আবেদন করেন ইদ্রিস খান নামের এক ব্যক্তি। তিনি ৭০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা ২০০ জনকে আসামি করেছেন।
গত শুক্রবার রাতে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে ভাষানী খানসহ তাঁর সমর্থকদের ৯টি বাড়ি ভাঙচুর ও ৩টি বসতঘরে অগ্নিসংযোগ করে। সদর উপজেলার চরগয়ঘর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৪ ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় ৭টি ককটেল।
ভাষানী খান শরীয়তপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। তিনি ১৭ জানুয়ারি বিএনপিতে যোগদান করেন। বিএনপিতে যোগদানের ৭ দিনের মাথায় তাঁর ও তাঁর সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
ইদ্রিস খান মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘হেলাল উদ্দিন আখন্দ ও তাঁর সমর্থকেরা আমাদের বাড়িঘরে হামলা করেছেন। আমরা ভাষানী চেয়ারম্যানের সঙ্গে এলাকায় রাজনীতি করতাম। কয়েক দিন আগে বিএনপিতে যোগদান করেছি। ওই যোগদান তিনি ভালোভাবে দেখেননি। তাঁর লোকজন আমাদের হুমকি দিতেন। ওই ঘটনায় তিনি হুকুম দিয়ে আমাদের বাড়িঘরে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করিয়েছেন।’
জানতে চাইলে কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও শরীয়তপুর জজকোর্টের আইনজীবী হেলাল উদ্দিন আখন্দ মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘ভাষানী আওয়ামী লীগের নেতা। সে বিএনপিতে যোগ দিয়েছে বিশৃঙ্খলা ঘটানোর জন্য। কে বা কারা তার বাড়িতে হামলা করেছে, তা আমরা জানি না। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য কোনো পক্ষ এ ঘটনার সাথে আমার নাম জড়াচ্ছে।’
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম মুক্তকণ্ঠকে বলেন, শৌলপাড়া ইউনিয়নের একটি গ্রামের কয়েকটি বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় এক ভুক্তভোগী মামলার আবেদন করেছেন। মামলাটি রেকর্ড করার প্রক্রিয়া চলছে। ওই ঘটনায় ৪ ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ৭টি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে।






