২০১৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যবর্তী সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকদের অন্তত ৩২৫টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। জালিয়াতিপূর্ণ বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন, তথ্যের অসংগতি এবং চৌর্যবৃত্তির মতো গুরুতর অনিয়মের কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রত্যাহার করা গবেষণাপত্রের তালিকায় সবচেয়ে বেশি রয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির, যার সংখ্যা ৪৪টি। এছাড়া নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ৪২টি এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩২টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের ঘটনা ঘটেছে।
গবেষকদের মতে, আর্থিক প্রণোদনা লাভ এবং দ্রুত পদোন্নতির লোভে এই ধরনের অনিয়ম করা হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের গবেষণার ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কার্যকর জবাবদিহিতার অভাব এবং প্রয়োজনীয় নীতিমালার অনুপস্থিতিও এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে।