জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনসহ মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন সেবার ফি নতুন করে নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সম্প্রতি ইসির উপসচিব মো. শাহ আলমের স্বাক্ষরিত এক জরুরি চিঠির মাধ্যমে এই নতুন ফি তালিকার কথা জানানো হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এনআইডির দৃশ্যমান তথ্য সংশোধনের জন্য প্রথমবার আবেদন করলে ভ্যাটসহ ২৩০ টাকা লাগবে। একই তথ্য দ্বিতীয়বার সংশোধনের আবেদনের ক্ষেত্রে ভ্যাটসহ ৩৪৫ টাকা এবং পরবর্তী যে কোনোবার আবেদনের জন্য ভ্যাটসহ ৪৬০ টাকা ফি প্রদান করতে হবে।

অন্যদিকে, এনআইডির তথ্য-উপাত্ত সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রথমবার আবেদনে ভ্যাটসহ ১১৫ টাকা, দ্বিতীয়বার আবেদনে ভ্যাটসহ ২৩০ টাকা এবং পরবর্তী যে কোনো আবেদনে ভ্যাটসহ ৩৪৫ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

হারানো কার্ড উত্তোলনের জন্য সাধারণ আবেদনের ক্ষেত্রে প্রথমবার ২০০ টাকা, দ্বিতীয়বার ৩০০ টাকা এবং পরবর্তী যে কোনোবার ৫০০ টাকা ফি লাগবে। তবে জরুরি ভিত্তিতে কার্ড উত্তোলনের ক্ষেত্রে প্রথমবার ৩০০ টাকা, দ্বিতীয়বার ৫০০ টাকা এবং পরবর্তী যে কোনোবার ১ হাজার টাকা প্রদান করতে হবে। উল্লিখিত সব ফি’র সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট প্রযোজ্য হবে।

এছাড়া রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের ফি ৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্বাচনি দলিল দস্তাবেজ পরিদর্শন ও কপি সংগ্রহের জন্য ১০০ টাকা এবং ভোটার তালিকার সার্টিফাইড কপি পেতে ১০০ টাকা দিতে হবে। ভোটার তালিকা দেখার ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা। ছবি ছাড়া ভোটার তালিকার সিডি সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রতিটি ইউনিয়ন বা সিটি কিংবা পৌর ওয়ার্ডের জন্য ৫০০ টাকা দিতে হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য/উপাত্ত যাচাই বা সরবরাহ সেবার ক্ষেত্রে সরকারি সংস্থা বা সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষের জন্য এককালীন নিবন্ধন ফি ৫ লাখ টাকা এবং বার্ষিক সাব-ইউজার চার্জ বা নবায়ন চার্জ ১ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে তথ্য সরবরাহ যাচাইয়ের ফি ১ টাকা। তবে সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের মতো সুবিধা নিতে চাইলে যাচাই ফি দিতে হবে ২ টাকা।

বেসরকারি সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের জন্য এককালীন নিবন্ধন ফি ৫ লাখ টাকা। সাব-ইউজার সংখ্যা অনুসারে প্রথম ৭০টি সাব-ইউজারের প্রতিটির জন্য ৪ হাজার টাকা এবং পরবর্তী প্রতিটি সাব-ইউজারের জন্য ২ হাজার টাকা ফি প্রযোজ্য হবে। এছাড়া প্রতিটি তথ্য প্রতিবার যাচাইয়ের জন্য ৫ টাকা দিতে হবে।