বাংলালিংকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড 'রাইজ' আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ‘এআই ইনোভেশন’ পুরস্কার অর্জন করেছে। গ্লোবাল কনফারেন্স অন এআই লিডারশিপ অ্যান্ড ফ্ল্যাগশিপ প্রেস্টিজ অ্যাওয়ার্ডস সম্মেলনে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। তরুণ প্রজন্মের দক্ষতা বৃদ্ধি, চাকরির বাজারের প্রস্তুতি এবং ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রয়োজনীয় সক্ষমতা তৈরিতে এআইভিত্তিক কার্যকর সমাধান উদ্ভাবনের স্বীকৃতি হিসেবে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে ইন্টারন্যাশনাল এআই ইনোভেশন অ্যান্ড লিডারশিপ কনসোর্টিয়াম (আইএআইএলসি) এবং কানাডার ইউনিভার্সাল হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন (ইউএইচএফ) যৌথভাবে উক্ত সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে বিভিন্ন দেশের প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষাবিদ এবং শিল্প খাতের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি আধুনিক সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের অপরিহার্যতা উল্লেখ করে কাজের দক্ষতা ও মান বৃদ্ধিতে এআই-এর কার্যকর ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পুরস্কার প্রাপ্তির বিষয়ে বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, ‘এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি গ্রাহক ও সমাজের জন্য কার্যকর মূল্য তৈরি করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে বাংলালিংকের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। রাইজের মাধ্যমে তরুণদের ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রের উপযোগী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ করে দিয়ে আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে আরও সহজলভ্য করে তুলছি। দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অপারেটর হিসেবে আমরা এমন ডিজিটাল উদ্ভাবনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা অন্তর্ভুক্তি বাড়াবে, কর্মসংস্থানের উপযোগী দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করবে এবং বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরে ভূমিকা রাখবে।’

উল্লেখ্য যে, শিক্ষার্থী এবং তরুণ পেশাজীবীদের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারকে আরও সহজ ও বাস্তবমুখী করতে রাইজ একটি পূর্ণাঙ্গ এআই ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছে। এর আওতায় থাকা 'ভোকালাইজ' টুলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এআই-এর সাহায্যে স্পোকেন ইংলিশ শিখতে পারছেন। পাশাপাশি 'সিভি-রাইজার' ব্যবহারকারীদের পেশাদার এবং অ্যাপ্লিক্যান্ট ট্র্যাকিং সিস্টেম (এটিএস)-উপযোগী জীবনবৃত্তান্ত তৈরিতে সহায়তা করছে, যা তাঁদের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা বৃদ্ধিতে সহায়ক হচ্ছে।