ঢাকার সাভারে বিরুলিয়া ইউনিয়নের একটি সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতির চেষ্টা হয়েছে। এ সময় একটি চলন্ত প্রাইভেটকারের কাচ ভাঙচুর করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার ভোরে বিরুলিয়ার কালিয়াকৈর এলাকায় আকরাইন থেকে সাভার সড়কে এ ঘটনা ঘটে। এ– সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
পুলিশের দাবি, সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতির চেষ্টার খবর পেয়ে দ্রুতই ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে যাওয়ায় ডাকাতদলের সদস্যরা পালিয়ে যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওতে দেখা যায়, রাতে একটি প্রাইভেটকারে যাচ্ছেন কয়েক ব্যক্তি। তাঁরা নিজেদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলছেন। একপর্যায়ে সড়কের পাশে ধারালো দেশি অস্ত্র হাতে দুজনসহ তিনজনকে দেখা যায়। একজন গাড়ি থামাতে ইশারা দেন। তখন চালক দ্রুত গাড়ি চালান। কিছু দূর যাওয়ার পর দেখা যায় সড়কের অধিকাংশ জায়গাজুড়ে একটি গাছ আড়াআড়িভাবে ফেলে রাখা হয়েছে। সেখানে একটি ট্রাক গতি কমিয়ে দেয়। এ সময় প্রাইভেটকারটির কাচ ভাঙচুরের শব্দ শোনা যায়। প্রাইভেটকারের চালক আড়াআড়িভাবে ফেলে রাখা গাছের একপাশে সড়কের ফাঁকা স্থান দিয়ে দ্রুতগতিতে চলে যান।
প্রাইভেটকারে থাকা মাহমুদুল হাসান ওরফে সাকিব মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘ঘটনার দিন আমাদের এক আত্মীয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। অনুষ্ঠানে বিরুলিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলালের ছেলে আমাদের বন্ধু অর্ণবও এসেছিল। রাত তিনটার দিকে কয়েকজন মিলে প্রাইভেটকারে করে তাঁকে বাসায় পৌঁছে দিতে গিয়েছিলাম। কালিয়াকৈরের আগে ঢালু জায়গায় পৌঁছানোর পর ডাকাতদের দেখতে পাই। ডাকাতেরা ডাকাতি করতে পারেনি, শুধু গাড়ির গ্লাস ভেঙে ফেলেছে।’
সাভার মডেল থানার বিরুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আল আমিন মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘শুক্রবার ভোর রাত চারটার দিকে দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় হঠাৎ দেখি, সড়কে গাড়ি চলাচলের গতি কিছুটা কমে গেল। সামনে গেলে এক ব্যক্তি জানান সড়কে গাড়ি থামানো হচ্ছে। ৪০০ থেকে ৫০০ গজ সামনে যাওয়ায় পর দুজন লোক সড়ক থেকে জঙ্গলের দিলে দৌড়ে পালিয়ে যায়।’
আল আমিন বলেন, ‘ডাকাতেরা গাড়ি থামালেও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাওয়ায় ডাকাতি করতে পারেনি। তাদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত আছে। আশা করছি, দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।’






