গত মাসে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের হয়ে দুটি চার দিনের ম্যাচে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পান জাকের আলী। তিন ইনিংস ব্যাট করতে নেমে তিন ইনিংসেই ফিফটি করেন তিনি। এর আগে সর্বশেষ প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন গত এপ্রিলে বিসিএলে। তবে প্রথম ইনিংসে ৮১ ওভার ফিল্ডিং করার পর চোটে পড়েন জাকের। এরপর আর বাকি ম্যাচটা খেলতে পারেননি এবং ব্যাটিংও করা হয়নি।
৫০ ওভারের ফরম্যাটে ঘরোয়া ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগেও তুলনামূলকভাবে ভালো ছন্দে ছিলেন তিনি। আবাহনীর হয়ে ছয় ম্যাচ খেলে একটি সেঞ্চুরি করেন জাকের।
অস্ট্রেলিয়া সফরের প্রথম টেস্টে দলে জায়গা পাওয়ার পরই হঠাৎ নজরে উঠে এসেছে জাকের আলীর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের দিকগুলো। টেস্ট দলে তিনি ফিরছেন এক বছর পর। সর্বশেষ ২০২৩ সালের নভেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একটি টি–টুয়েন্টি খেলার পর থেকে জাতীয় দল থেকে দূরে ছিলেন তিনি।
তবে টেস্ট দলে জাকের আলীর প্রত্যাবর্তন শুধু তাঁর বর্তমান ফর্মের সঙ্গেই সম্পর্কিত নয়। চোটের কারণে ১৩ আগস্ট শুরু ডারউইনের প্রথম টেস্টে লিটন দাস খেলবেন না—এমন পরিস্থিতিতে মূলত তাঁর বিকল্প হিসেবেই জাকেরকে দলে নেওয়া হয়েছে বলে বিসিবি সূত্রে জানা গেছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে অভিষেকের পর জাকের এখন পর্যন্ত ৬ টেস্টে ৩০.৬৩ গড়ে রান করেছেন ৩৩৭। চারটি ফিফটি থাকলেও টেস্টে এখনো সেঞ্চুরির দেখা পাননি তিনি। তাঁর সর্বোচ্চ ইনিংস ৯১ রানের। ২০২৪ সালের নভেম্বরে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সিরিজেই তাঁর ব্যাট থেকে এসেছিল সেঞ্চুরির সুবাস পাওয়া সেই ইনিংস।
দলে আছেন পেসার মুশফিক হাসানও। ২০২৩ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট দলে ডাক পেলেও খেলা হয়নি অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা এই পেসারের। পেসার নাহিদ রানা সিরিজ থেকে ছিটকে পড়েছেন আগেই।
নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, অমিত হাসান, জাকের আলী, মেহেদী হাসান মিরাজ (সহ-অধিনায়ক), তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ, খালেদ আহমেদ, ইবাদত হোসেন , মুশফিক হাসান
বাদ পড়েছেন: মাহিদুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান, তাওহিদ হৃদয়, নাঈম হাসান ও রবিউল হক।
dলে ফিরেছেন: সৌম্য সরকার, জাকের আলী, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ ও মুশফিক হাসান।