যশোরে মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হত্যা, মাদক ও চাঁদাবাজিসহ ১৪টি মামলার এক আসামিকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ১১টি মামলার আসামি এক সহযোগীকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত ব্যক্তির নাম শরিফুল ইসলাম ওরফে জিতু (৩৫)। তিনি যশোর শহরের বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার রাত ১১টার দিকে শহরের বারান্দীপাড়ার ফুলতলা মোড়ে দুর্বৃত্তরা শরিফুলকে কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের মাধ্যমে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার পুলিশ তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়, তবে পথেই তার মৃত্যু হয়। মরদেহটি বর্তমানে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কাজী মাসুম রেজা জানান, প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় শরিফুলকে ঢাকায় পাঠানো হয়। পরে ঢাকায় নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। মরদেহ হাসপাতালে এনে মর্গে রাখা হয়েছে।

যশোরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মিরাজুল ইসলাম জানান, শরিফুলের বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক, চাঁদাবাজিসহ ১৪টি মামলা রয়েছে। তিনি আরও জানান, এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে একই এলাকার সুমন মিয়া (৩২) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে, যার বিরুদ্ধে মাদক, চাঁদাবাজি ও মারামারিসহ ১১টি মামলা রয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, "মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে একই এলাকার সুমন মিয়া (৩২) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে।" এ ঘটনায় ব্যবহৃত একটি দা পুলিশ উদ্ধার করেছে।