নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী (১৩) প্রাইভেট পড়তে গিয়ে শিক্ষিকার বাবার ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২২ জুলাই) রাতে চরজব্বর থানায় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এ মামলা করেন।
এর আগে, বুধবার সকালে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক কামালকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
অভিযুক্ত কামাল উদ্দিন ওরফে সিএনজি কামাল উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের ইলিয়াছ সওদাগরের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বুধবার সকালে ভুক্তভোগী ছাত্রী তার শিক্ষিকার বাড়িতে প্রাইভেট পড়তে যায়। শিক্ষিকার ঘরে গিয়ে দেখে তিনি ঘরে নেই। শিক্ষিকার বাবা কামাল উদ্দিন দরজা খুলে দেন ও ছাত্রীকে ঘরে ডেকে নেন। একপর্যায়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। পরে বিষয়টি কাউকে না জানাতে ৫০০ টাকা দিয়ে ওই ছাত্রীকে পাঠিয়ে দেন।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বাড়ি গিয়ে বিষয়টি স্বজনদের জানায়। একপর্যায়ে ওই দিন সন্ধ্যায় এলাকাবাসী কামাল উদ্দিনকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ওই মামলায় কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে। ভুক্তভোগীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।