কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় সাত বছর বয়সি এক শিশুকে গলায় ছুরি ধরে ধর্ষণের চেষ্টা ও ব্যর্থ হয়ে সিগারেটের আগুনে মুখ ঝলসে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তরুণকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা।

বুধবার (২২ জুলাই) সকালে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্তকে আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে কুমারখালী থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্তকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে প্রাইভেট পড়া শেষে দুই বোন হেঁটে বাড়ি ফিরছিল। পথিমধ্যে কয়া ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়ার মিজানুর রহমানের ছেলে ইয়াসিন (১৯) তাদের পথরোধ করে। এ সময় বড় বোনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দিয়ে সাত বছর বয়সী ছোট বোনকে গলায় ছুরি ধরে জোরপূর্বক পাশ্ববর্তী জঙ্গলে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায় সে।

শিশুটির চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসতে থাকলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ইয়াসিন। সে শিশুটির মুখ চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় এবং ব্যর্থ হয়ে তার গালে জ্বলন্ত সিগারেট চেপে ধরে পুড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে উপস্থিত লোকজনের ধাওয়ায় সে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান, যৌন নিপীড়নের ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে ইতোমধ্যে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।