প্রভিডেন্সে সিরিজে প্রথম ম্যাচ জিতে ভালো শুরু পেয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু এরপর টানা তিন ম্যাচ জিতে সিরিজই নিজেদের করে নেয় নিউজিল্যান্ড। পাঁচ ম্যাচের এ সিরিজে এগিয়ে যায় ৩-১ ব্যবধানে। ব্রিজটাউনে আজ পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে সান্ত্বনার জয় পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৫ বল হাতে রেখে নিউজিল্যান্ডকে ২ উইকেটে হারিয়েছে শাই হোপের দল।
.টসে হেরে আগে ব্যাট করা নিউজিল্যান্ড তিন ফিফটিতে ৯ উইকেটে ২৬৮ রান তোলে। টম ল্যাথাম করেন ৬৯, নিক কেলির ব্যাট থেকে এসেছে ৬৪। ৫৬ রান করেন উইল ইয়াং। তাড়া করতে নেমে ৪৩ ওভারে ৫ উইকেটে ২৩৮ রান তোলা ওয়েস্ট ইন্ডিজ এরপর হালকা চাপে পড়েছিল। পরের দুই ওভারে ১০ রানে ৩ উইকেট পড়ায় জয়ের সমীকরণ নেমে আসে ৩০ বলে ২১ রানে। হাতে ২ উইকেট।
দারুণ ব্যাট করা শিমরন হেটমায়ারের ব্যাটে এ পথটুকু পাড়ি দেয় ক্যারিবিয়ানরা। ছয়ে নেমে ৬৪ বলে অপরাজিত ৬৯ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেন চোটে পড়া আমির জাঙ্গুর জায়গায় দলে সুযোগ পাওয়া হেটমায়ার। চতুর্থ উইকেটে হেটমায়ার-রাদারফোর্ডের ৯৫ রানের জুটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের ভিত। ৫৮ বলে ৬১ রান করেন রাদারফোর্ড।
.পাঁচ ম্যাচের এ সিরিজে প্রতিটি ম্যাচেই পরে ব্যাট করা দল জিতেছে। প্রথম ম্যাচে ২৬৭ ও শেষ ম্যাচে ২৬৮ তাড়া করে জেতা ওয়েস্ট ইন্ডিজ মাঝে তিন ম্যাচে আগে ব্যাট করে হেরেছে। এই তিন ম্যাচে তাদের ব্যাটিংও ভালো হয়নি। সর্বোচ্চ ১৮৮ তারা করতে পেরেছিল চতুর্থ ওয়ানডেতে। সেই ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একটি ক্যাচ না ছাড়লে সিরিজের ফলাফল অন্য রকমও হতে পারত। শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে সিরিজটি জিতল নিউজিল্যান্ডই।
.বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী দল ঘোষণা.ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে আলজারি জোসেফ ও ভিতেল লয়েজ ২টি করে উইকেট নেন। তিনটি জুটিতে ভর করে এগোয় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। দ্বিতীয় উইকেটে ইয়াং-কেলির ৮৬ রানের জুটির পর চতুর্থ উইকেটে ৫৪ রানের জুটি গড়েন ল্যাথাম ও কেলি। ষষ্ঠ উইকেটে ল্যাথাম ও মিচেল স্যান্টনারের ৪৮ রানের জুটিও ছিল বেশ কার্যকর।
.জয়ের পর ম্যাচসেরা হেটমায়ার বলেন, ‘স্বস্তির বিষয় হলো, ফিফটি পাওয়া নিয়ে না ভেবে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিতে পেরেছি। আমরা অতিরিক্ত কিছু ভাবিনি, স্রেফ নিজেদের জোনে বল আসার অপেক্ষায় ছিলাম। এখানকার এবং দেশের সমর্থকদের বলব, আপনাদের মুখে হাসি ফোটাতে পেরে আমি আনন্দিত।’
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউজিল্যান্ড: ৫০ ওভারে ২৬৮ (ল্যাথাম ৬৯, কেলি ৬৪, ইয়াং ৫৬, স্মিথ ১৮; আলজারি ২/৩৮, ভিতেল ২/৬৩, মোতি ১/৪৯)।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৪৭.৩ ওভারে ২৬৯/৮ (হেটমায়ার ৬৯*, রাদারফোর্ড ৬১, হোপ ৩৯, অগাস্টে ৩৪; ডাফি ৩/৬৭, লেনক্স ৩/২৫, স্মিথ ১/৫১, ব্রেসওয়েল ১/৬৪)।
ফল: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা: শিমরন হেটমায়ার (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
সিরিজ: নিউজিল্যান্ড ৩-২ ব্যবধানে জয়ী।