বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দ যেমন একবার পেয়েছেন, তেমনি ফাইনাল হারের যন্ত্রণাও দুবার সইতে হলো লিওনেল মেসিকে। স্পেনের কাছে ২০২৬ বিশ্বকাপের শিরোপা হারিয়ে বিরল এক তালিকায় নাম লিখিয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।
মেসির এটি ছিল তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল। ২০১৪ সালে মারাকানায় জার্মানির কাছে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ ব্যবধানে হেরেছিল আর্জেন্টিনা। আট বছর পর কাতারে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে বহু প্রতীক্ষিত বিশ্বকাপ জেতেন মেসি। এবার আবার অতিরিক্ত সময়ে ১-০ ব্যবধানে স্পেনের কাছে হেরে রানার্সআপ হতে হলো তাকে।
বিশ্বকাপে দুবার রানার্সআপ হওয়া দলের স্কোয়াডে থাকা ২৮তম খেলোয়াড় মেসি। তার আগে নেদারল্যান্ডসের ১৫ এবং পশ্চিম জার্মানির ১২ জন ফুটবলার এই হতাশার সাক্ষী হয়েছেন।
নেদারল্যান্ডস ১৯৭৪ সালে পশ্চিম জার্মানি এবং ১৯৭৮ সালে আর্জেন্টিনার কাছে ফাইনাল হেরেছিল। দুই আসরের রানার্সআপ দলের সদস্য ছিলেন:
ইয়ান ইয়ংব্লুড
পিট শ্রাইভার্স
উইম রেইসবের্গেন
রুড ক্রল
উইম সুরবিয়ার
উইম ইয়ানসেন
আরি হান
ইয়োহান নিসকেন্স
ভিলেম ফন হানেগেম
ভিলি ফন ডে কেরখফ
রব রেনসেনব্রিঙ্ক
রেনে ফন ডে কেরখফ
জনি রেপ
রুড জিলস
ভিলি ফন ডার কুইলেন
পশ্চিম জার্মানি ১৯৮২ সালে ইতালি ও ১৯৮৬ সালে আর্জেন্টিনার কাছে ফাইনাল হারে। দুটি দলের স্কোয়াডেই ছিলেন:
টনি শুমাখার
আইকে ইমেল
হান্স-পিটার ব্রিগেল
কার্লহাইঞ্জ ফ্যোর্স্টার
লোথার ম্যাথাউস
কার্ল অলগ্যোয়ার
পিয়েরে লিটবার্সকি
ফেলিক্স মাগাথ
ফ্রাঙ্ক মিল
ক্লাউস আলফস
রুডি ফ্যোলার
কার্ল-হাইঞ্জ রুমেনিগে
তালিকার সর্বশেষ নাম মেসি। পার্থক্য হলো, আগের ২৭ জনের কেউ নিজেদের দুই পরাজয়ের মাঝখানে বিশ্বকাপ জিততে পারেননি। মেসি অবশ্য ২০২২ সালে শিরোপা উঁচিয়ে নিজের অপূর্ণতা আগেই ঘুচিয়েছেন। তবু সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপটি শেষ হলো তার দ্বিতীয় ফাইনাল হারের বেদনায়।