২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে ইরানে বন্দি থাকা এক মার্কিন নাগরিককে মুক্তি দিয়েছে তেহরান। ওই নারীর মুক্তির কথা নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লিখেছেন, ‘তিনি এখন ইরানের বাইরে নিরাপদে ও সুস্থ আছেন। ইরানের এ সদিচ্ছাপূর্ণ পদক্ষেপের জন্য যুক্তরাষ্ট্র কৃতজ্ঞ!’
তবে ট্রাম্প মুক্তি পাওয়া ওই নারীর নাম প্রকাশ করেননি এবং তাঁকে কেন আটক করা হয়েছিল সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তিনি কেবল উল্লেখ করেছেন যে, ওই নারীকে ‘অন্যায়ভাবে আটক করে’ রাখা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ইরানের বিরুদ্ধে সম্প্রতি পুনরায় হামলা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প এবং দেশটির বন্দরগুলোর ওপর নৌ অবরোধ পুনর্বহাল করেছেন তিনি। গত ৭ জুলাই ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলা শুরু হওয়ার পর বুধবার পঞ্চম দিনের মতো আক্রমণ চালায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই মার্কিন নাগরিকের মুক্তির ঘোষণা এল।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নাম প্রকাশ না করলেও, গতকাল গভীর রাতে এক আইনজীবী দাবি করেছেন যে মুক্তি পাওয়া ওই নারী তাঁর মক্কেল। আইনজীবী জ্যারেড গেনসার এক বিবৃতিতে জানান, ‘আমার মক্কেল, ইরানি বংশোদ্ভূত মার্কিন ডেনা কারারি। একটি শত্রুরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা ও গুপ্তচরবৃত্তির “ভিত্তিহীন” অভিযোগে তিনি ইরানে আটক ছিলেন। তিনি এখন ইরানের বাইরে নিরাপদে ও যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পথে রয়েছেন।’
গেনসারের দাবি অনুযায়ী, ডেনা কারারি তাঁর পরিচালিত অলাভজনক সংস্থা ‘চিলড্রেন অব মেহর ফাউন্ডেশন’–এর কার্যক্রমের কারণে তেহরান কর্তৃপক্ষের নজরে আসেন। ব্যক্তিগত অনুদানের মাধ্যমে ইরানের দরিদ্র শিশুদের সহায়তা করত ওই সংস্থাটি।