দেশকে আরও সবুজ ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি শিশুদের প্রতিবছর অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর অনুরোধ জানান।
আজ বুধবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানের আগে তিনি এই কর্মসূচির সূচনা করেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে সারা দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন। এই উদ্যোগের আওতায় আজ দেশজুড়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একযোগে প্রায় দুই লাখ চারা রোপণ করা হচ্ছে।
উপস্থিত শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ছোট্ট বন্ধুরা, তোমরা চেষ্টা করবে, প্রতিবছর একটি করে গাছ রোপণ করতে। সেটি তোমাদের স্কুলে হোক বা বাসার আশপাশে। যেখানে মনে করবে, সেখানেই একটি করে গাছ রোপণ করবে।’
গাছ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের গুরুত্ব বুঝিয়ে তিনি বলেন, ‘গাছটি কী পরিমাণ অক্সিজেন উৎপাদন করে, ওই গাছ মানুষের কী কী উপকারে আসে—এই বিষয়গুলো তোমরা ইন্টারনেট ঘেঁটে বিভিন্নভাবে রিসার্চ করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এভাবে প্রতিবছর তোমরা একটি করে গাছ সম্পর্কে নতুন কিছু জানতে পারবে। স্কুলে লাগানো গাছ বড় হলে সেটি তোমাদের ছায়া দেবে। ক্লান্ত হলে তোমরা সেই গাছের নিচে বিশ্রাম নিতে পারবে।’
বাসায় গাছ লাগানোর উপকারিতা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একইভাবে বাসায় যদি গাছ রোপণ করো, গাছটা যখন বড় হবে, সুন্দর বাতাস বইবে। ঘরে বসে তুমি বাতাস উপভোগ করতে পারবে। আবার পরিবেশটা অনেক ঠান্ডা হবে।’
দিনটিকে স্মরণীয় হিসেবে অভিহিত করে তারেক রহমান বলেন, ‘আজ একটি স্মরণীয় দিন। আজ আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশের মাটিতে একসঙ্গে অনেকগুলো গাছ রোপণ করলাম।’
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী প্রাণপ্রকৃতিবিষয়ক শিশুশিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।






