সুনামগঞ্জের বালুমহালগুলোতে পাম্প ও ড্রেজার ব্যবহার এবং রাতে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তিটি প্রচার করা হয়।

প্রশাসনিক এই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, "এখন থেকে পাম্প বা ড্রেজিং মেশিন ব্যবহার করে এবং জেলা প্রশাসকের লিখিত অনুমতি ছাড়া রাতে জেলার কোথাও কোনোভাবেই বালু ও মাটি তোলা যাবে না।" একই সাথে বালু ও মাটি পরিবহনের ক্ষেত্রে অবৈধ বা অননুমোদিত যানবাহন ব্যবহারের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার জাদুকাটা নদীতে জেলার সবচেয়ে বড় দুটি বালুমহাল অবস্থিত। বাংলা নতুন বছরে এই দুটি মহাল ইজারা না হওয়ায় আগের ইজারাদারেরাই সেখানে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এছাড়া চলতি নদের ধোপাজানে অবস্থিত আরেকটি বড় বালুমহাল বর্তমানে ইজারাবিহীন অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে সুনামগঞ্জের বালুমহালগুলোতে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। তাদের ভাষ্যমতে, ইজারাবিহীন ধোপাজান বালুমহাল থেকে কোটি কোটি টাকার বালু লুটের ঘটনা ঘটেছে এবং জাদুকাটা নদীর বালুমহালেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।