জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরে মসজিদের ছাদ চুইয়ে পানি পড়ায় সেখানে বালতি রাখতে হচ্ছে—এ দাবি তুলেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ। আজ সোমবার জাতীয় সংসদে তিনি এ বিষয়ে বক্তব্য দেন।
এরপর ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল জানান, তাঁর বাসভবনের ছাদ চুইয়েও পানি পড়ে। তিনি বলেন, ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন সংসদ ভবনের পশ্চিম পাশে।
বিএনপির সংসদ সদস্য ও হুইপ জি কে গউছ বলেন, সংসদের অধিবেশন কক্ষের ওপরের তলায় থাকা মসজিদে সংসদ সদস্যসহ অনেকে জামায়াতে নামাজ আদায় করেন। তিনি আরও বলেন, ‘মসজিদের সামনে সারিবদ্ধভাবে বালতি রাখা হয়েছে। আকাশ থেকে পানি প্রতিদিন এই সংসদে প্রবেশ করে। শুধু বাইরে নয়, মসজিদের ভেতরেও একই অবস্থা।’
এ পর্যায়ে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, সংসদ ভবনের ছাদ দিয়ে পানি পড়ার বিষয়টি তাঁরাও জেনেছেন। তখন তিনি নিজের বাসার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘কষ্টের কথা কাকে বলব! আমি আমার নিজের ঘরে ঘুমাতে গেলে ছাদের এখানে বাটি দিয়ে রাখি, পানি পড়ে।’
এরপর চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, সংসদ ভবনের এ–সংক্রান্ত বিষয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। তিনি জানান, গতকাল রোববার এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে এবং ভবনের যেসব জায়গা দিয়ে পানি পড়ছে, সেগুলো মেরামতের কার্যক্রমও শুরু করেছে মন্ত্রণালয়। এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন চিফ হুইপ।
এরপর ডেপুটি স্পিকার সংসদে উপস্থিত গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তখন গণপূর্তমন্ত্রী জানান, সমস্যা সমাধানে সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং খুব শিগগির এর প্রতিকার হবে।