স্মার্টফোন, কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস, এআইওটি, বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি) ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ডিএক্স গ্রুপ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য তাদের কৌশলগত রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গতকাল শনিবার প্রতিষ্ঠানটি রিটেইল, সরবরাহ, সার্ভিস ও বিপণন বিভাগের প্রধানদের নিয়ে ‘২০২৬-২৭ অর্থবছরের স্ট্র্যাটেজি মিট’ আয়োজন করে। প্রতিষ্ঠানটির প্রত্যাশা, দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব, পরিচালন দক্ষতা ও সুশৃঙ্খল আর্থিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী বহুমুখী (মাল্টি-ভার্টিক্যাল) প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের পথে এই উদ্যোগটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে।

গত শনিবারের এই সভায় ডিএক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দেওয়ান কানন, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট (স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড পার্টনারশিপ) জেসন, অপারেশনস ডিরেক্টর লিটন বিশ্বাস, সেলস ডিরেক্টর লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইয়্যেদিস সাকলায়েন, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা নূরনবী ভূঁইয়া ও প্রধান সাপ্লাই চেইন কর্মকর্তা আরিফুর রহমানসহ শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমানে ডিএক্স গ্রুপ বাংলাদেশে স্যামসাং, শাওমি, হুয়াওয়ে, টিসিএল, আইমা, লুইয়ান ও জুলংয়ের মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করছে। প্রতিষ্ঠানটি দেশের ৭০ হাজারের বেশি খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে সেবা প্রদান করছে। এছাড়া তারা ১০০টির বেশি ব্র্যান্ডেড শপ পরিচালনা করছে এবং ২ হাজারের বেশি কর্মীর মাধ্যমে ৪০টির বেশি সার্ভিস সেন্টারের সহায়তায় গ্রাহকদের বিক্রয়োত্তর সেবা দিচ্ছে।

নতুন অর্থবছরের রোডম্যাপে স্মার্টফোন, কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ব্যবসার সম্প্রসারণ, শক্তিশালী ফাইভ-চ্যানেল কৌশল বাস্তবায়ন এবং কেপিআইভিত্তিক নেতৃত্বের মাধ্যমে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। ডিএক্স গ্রুপের মতে, "এই রোডম্যাপ দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিকে আরও শক্তিশালী করবে।"

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, এই স্ট্র্যাটেজি মিট তাদের পরবর্তী প্রবৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করেছে। এর মূল লক্ষ্য হলো উদ্ভাবনকে ত্বরান্বিত করা, বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর সম্প্রসারণে গতি আনা এবং বাংলাদেশের ইলেকট্রনিকস ও নতুন জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ নির্মাণে সক্রিয় ভূমিকা রাখা।