ফেনীতে ট্রেনে কাটা পড়ে মোহাম্মদ হোসেন (৩২) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ফেনী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের দেয়ানগঞ্জ-সংলগ্ন মঠবাড়িয়া এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মোহাম্মদ হোসেন ফেনীর পরশুরাম উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ চন্দনা গ্রামের মো. ইসহাকের ছেলে। তিনি ফেনী শহরের সালাউদ্দিন মোড় এলাকার ‘মেসার্স ফিরোজ অটোপার্টস’ নামক একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক ছিলেন।

রেলওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ‘মহানগর গোধূলি’ ট্রেনটি ফেনী স্টেশন ছেড়ে যাওয়ার পর মঠবাড়িয়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ওই যুবকের দেহ খণ্ডবিখণ্ড হয়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

ফেনী শহর ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, ‘নিহত ব্যবসায়ী আমাদের সদস্য ছিলেন। সমিতির পরিচয়পত্র দেখে তাঁর লাশ শনাক্ত করা হয়। নিহত ব্যবসায়ীর ব্যবসায়িক কিছু দেনা-পাওনা ছিল। তিনি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছেড়ে কেন রেলপথের ওই অংশে গেলেন, সে বিষয়টি এখনো জানা যায়নি।’

ঘটনার বিষয়ে ফেনী স্টেশনে কর্মরত রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি) উপপরিদর্শক মো. মাসুদুর রহমান মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ওই যুবকের খণ্ডবিখণ্ড লাশ উদ্ধারের ঘটনায় লাকসাম জিআরপি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হবে।