চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন চট্টগ্রাম নগরের ২০২৫ সালে এইচএসসির পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ৪৮ হাজার ৪৮০ পরীক্ষার্থী। আর এ বছর অংশ নিচ্ছেন ৩৬ হাজার ৬৮৩ জন। গতবারের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থী কমেছে ১১ হাজার ৭৯৭ জন। এর মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা কমেছে ৬ হাজার ৭৯৮। তবে নগরের বাইরে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় পরীক্ষার্থী বেড়েছে ১০ হাজার ৮২৪ জন। এর মধ্যে ছাত্রী বেড়েছে ৬ হাজার ৮৩০ জন।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড জানায়, এ বছর চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন পাঁচ জেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন। গত বছর পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ২ হাজার ৯৭৫ জন। অর্থাৎ পাঁচ জেলায় গতবারের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থী কমেছে ৩ হাজার ২৮৭ জন। এর মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা কমেছে ২ হাজার ৮০৮। বেশি কমেছে মানবিক বিভাগে। এ বছর অংশগ্রহণকারী কলেজের সংখ্যা বেড়েছে ৬। কেন্দ্র কমেছে একটি।

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষা ২ জুলাই শুরু হবে। ইতিমধ্যে পরীক্ষার্থীদের তথ্য প্রকাশ করেছে বোর্ড। চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার ২৮৩টি কলেজের শিক্ষার্থীরা এবার এইচএসসি পরীক্ষা দেবেন। গত বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২৭৭। গত বছর এই পাঁচ জেলায় পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১১৫। এবার কেন্দ্র ১১৪টি। গতবারের চেয়ে চট্টগ্রাম জেলায় একটি কেন্দ্র কমেছে।

এবার চট্টগ্রাম বোর্ডে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী কমেছে চট্টগ্রাম জেলায়। নগরসহ চট্টগ্রাম জেলায় গতবার পরীক্ষার্থী ছিলেন ৭১ হাজার ৯৪৭ জন, এবার সেটি ৭০ হাজার ৯৭৪ জন। অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে ৯৭৩ শিক্ষার্থী কমেছে। তবে শুধু নগরে পরীক্ষার্থী প্রায় ১২ হাজার কমেছে। এর মধ্যে ছাত্র কমেছে ৪ হাজার ৯৯৯ এবং ছাত্রী ৬ হাজার ৭৯৮ জন। অন্যদিকে নগর বাদে চট্টগ্রাম জেলার হিসাবে ছাত্র বেড়েছে ৩ হাজার ৯৯৪ এবং ছাত্রী বেড়েছে ৬ হাজার ৮৩০ জন।

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার জেলায় এবার পরীক্ষার্থী ১২ হাজার ২৫৫ জন। তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে রাঙামাটিতে ৫ হাজার ৪৩৯ জন, খাগড়াছড়িতে ৭ হাজার ৩৫৩ জন এবং বান্দরবানে ৩ হাজার ৬৬৭ পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। ২ জুলাই বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হবে এইচএসসি পরীক্ষা। ইতিমধ্যে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপনসহ সব কার্যক্রম শেষ করেছে বোর্ড।

চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী মুক্তকণ্ঠকে বলেন, এবার পরীক্ষা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য ২৩টি পর্যবেক্ষক দল (ভিজিল্যান্স টিম) গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি সাধারণ ভিজিল্যান্স এবং ৮টি বিশেষ ভিজিল্যান্স টিম। শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার কারণ কোনো ধরনের গবেষণা ছাড়া বলা কঠিন।