লক্ষ্মীপুরে খুন হওয়া মা ও তিন মেয়ের লাশ কুমিল্লার হোমনা উপজেলার লটিয়া গ্রামের সামাজিক কবরস্থানে পাশাপাশি চারটি কবরে দাফন করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত ৯টা ৩১ মিনিটে লাশবাহী দুটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মা ও তিন মেয়ের মরদেহ হোমনা উপজেলার লটিয়া গ্রামে পৌঁছে।

মা ও মেয়েদের লাশ একনজর দেখার জন্য লোকজন ভিড় করেন। পরে মরদেহগুলো গ্রামের মেঘনা নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত সামাজিক কবরস্থানে নেওয়া হয়। সেখানে কবরস্থানের পাশের মাঠে মেঘনা নদীর তীরে রাত ১০টায় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পাশাপাশি চারটি কবরে মা ও তিন মেয়ের লাশ দাফন করা হয়। রাত ১১টায় দাফনের কার্যক্রম শেষ হয়।

.জানালায় প্রতিবেশীকে ‘কলের মিস্ত্রি’ পরিচয় দেন অভিযুক্ত অন্তর, সন্দেহ হওয়ায় আটকানো হয় দরজা.

গ্রামের বাসিন্দা স্কুলশিক্ষক আলমগীর হোসেন মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘একই পরিবারের মা ও তিন মেয়ে খুন হওয়ার খবর শোনার পর থেকে পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। শুধু অপেক্ষায় ছিলাম কখন নিহত ব্যক্তিদের লাশ গ্রামে পৌঁছাবে। পরিবারটি গরিব হলেও সন্তানগুলো অত্যন্ত মেধাবী, নম্র, ভদ্র, বিনয়ী ও সহজ-সরল ছিল। এ কারণে গ্রামের প্রতিটি সদস্যের পরিবারটির প্রতি আলাদা একটা সিমপ্যাথি ছিল। গ্রামের বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের ১০ গ্রামের লোকজন এসে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নিয়েছেন।’

.মা ও তিন বোন খুন, পরিবারে আর কেউ রইল না কিশোর সিফাতের.

নিহত শাহীনুরের দেবর কৃষক জামাল হোসেন বলেন, ‘প্রায় ৩০ বছর আগে আমার বড় ভাই লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে গিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। পরে সেখানে থেকেই যান। ছেলেমেয়েদের ভালো স্কুলে লেখাপড়া করাতেন। সাত বছর আগে আমার বড় ভাই কামাল হোসেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। বর্তমানে অসচ্ছল পরিবারটি সিফাতের আয় এবং স্বজন ও স্থানীয় মানুষের সহযোগিতায় চলত। এখন সিফাতের লেখাপড়া নিয়ে চিন্তায় আছি।’

.মা ও দুই বোনের পর মারা গেল কিশোরী ইকরা, গণপিটুনিতে অভিযুক্তেরও মৃত্যু