চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তাঁর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের আগের আদেশ বাতিল করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে এই মামলার বাদী মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ মে একই আদালত সালমান শাহের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছিলেন। এখন আগের সেই আদেশ বাতিল হলো। এই তথ্য মুক্তকণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী আবিদ হাসান।

.সালমান শাহর মৃত্যু: ২৯ বছর পর হত্যা মামলা, এত বছর যা হলো.

আবিদ হাসান বলেন, সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় ৩০ বছর পর তাঁর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে কার্যকর কোনো আলামত পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এসব বিবেচনায় আদেশটি বাতিলের আবেদন করা হয়।

আবেদনে বলা হয়, সালমান শাহকে সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হয়েছে। তাই মরদেহ উত্তোলনের উদ্যোগ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানতে পারে। ব্যাপক বাধা, সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। এ বিষয়ে সালমান শাহর মা নিলুফার জামান চৌধুরী (নীলা চৌধুরী) ও মামলার বাদীর আপত্তি রয়েছে।

শুনানির সময় বাদী আলমগীর কুমকুম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান। তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে নানা জল্পনা রয়েছে। দীর্ঘ ২৯ বছর পর গত ২০ অক্টোবর মধ্যরাতে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তাঁর ভাই আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন।

.আত্মহত্যা নাকি হত্যা? সালমান শাহর মৃত্যুর জট আজও অমীমাংসিত.

এ মামলায় সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, সামিরার মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, চলচ্চিত্র অভিনেতা ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আ. ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদকে আসামি করা হয়।

.সালমান শাহর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি আদালতের