মাত্র কয়েক দিন আগেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নেতাদের উন্মাদ ও নরাধম (‘স্কামব্যাগ’) নামে অভিহিত করেছিলেন। সে দেশের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে দুষ্টব্যক্তি’ নামে অভিহিত করেছিলেন। অশোভন ভাষায় ইরানি নেতাদের ঢালাওভাবে ‘ক্রেজি বাস্টার্ডস’ বলে বিষোদ্‌গার করেছিলেন।

সেই বদ্ধ উন্মাদ ও নরাধমদের সঙ্গেই স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এক সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন ট্রাম্প। কথা ছিল উভয় পক্ষ মুখোমুখি হয়ে আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। লেবাননে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ নতুন সংঘর্ষের কারণ তা বাতিল হয়ে গেলে ট্রাম্প নিজেই জেনেভায় জি-৭ শীর্ষ বৈঠকের এক ফাঁকে কলম নিয়ে সেই চুক্তি করলেন।

প্রায় সব ভাষ্যকারের বিবেচনায় ইরানের জন্য এই চুক্তি—হোক না তা সাময়িক—বিশাল বিজয় এনে দিয়েছে। যুদ্ধ করে ইরান যা করতে পারেনি, পারা সম্ভবও ছিল না, ঠিক সেই অসম্ভবটি সম্ভব হয়েছে। মাত্র ৬০ দিনের জন্য স্বাক্ষরিত এই সমঝোতা স্মারকের ফলে ইরানের সমুদ্রসীমায় মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া হচ্ছে, সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন নৌসেনা। পর্যায়ক্রমে তুলে নেওয়া হবে ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞা। যে বিপুল পরিমাণ ইরানি অর্থ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জব্দ করা হয়েছে, তাও ফিরিয়ে দেওয়া হবে। শুধু তা–ই নয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক হামলার ফলে ইরানে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা মেটাতে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি ‘বিনিয়োগ তহবিল’ গঠিত হবে।

এই স্মারক সমঝোতা অনুসারে, শুধু এই দুই দেশের মধ্যে সব হানাহানি বন্ধ হবে তা–ই নয়, লেবাননে ইসরায়েলি হামলাও বন্ধ হবে। বলা হয়েছে, ইসরায়েল লেবাননের সার্বভৌমত্ব মেনে চলবে, যদিও দেশটি এই চুক্তিপত্রের অংশীদার নয়।

অন্যদিকে ইরান দুটি সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণে সম্মত হয়েছে তারা অবিলম্বে হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে এবং কখনোই পারমাণবিক শক্তি অর্জন করবে না এই মর্মে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হবে।

.

এই চুক্তিতে মোট ১৪টি ধারা রয়েছে। ফুটবলের ভাষায় বলতে হয়, এই চুক্তির মাধ্যমে ইরান দিয়েছে ১২ গোল, যুক্তরাষ্ট্র ২ গোল। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্ররাই বলছেন, এই চুক্তির ফলে ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্র আত্মসমর্পণ করল। রিপাবলিকান সিনেটর বিল ক্যাসিডি বলেছেন, হায় হায়, এমন আত্মঘাতী চুক্তি ট্রাম্প কীভাবে স্বাক্ষরে সম্মত হলেন! তাঁর আরেক সমর্থক সিনেটর টেড ক্রুজ বলেছেন, এমন চুক্তিকে সমর্থন করা যায় না। এদের মনোভাবের সারাংশ মিলবে ট্রাম্পের ঘোর সমর্থক নিউইয়র্ক পোস্ট পত্রিকায়, যার প্রথম পাতায় শিরোনাম হলো—এই চুক্তি ইরানকে সব দিয়েছে, আমেরিকা পেয়েছে কাঁচকলা।

ইসরায়েলের মিডিয়া ও রাজনৈতিক নেতারা যা বলেছেন তার তুলনায় এসব সমালোচনা অবশ্য বলতে গেলে নস্যি। ট্রাম্পকে এই যুদ্ধে টেনে এনেছিলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ‘বিবি’ নেতানিয়াহু ও আমেরিকায় ইসরায়েলি যুদ্ধবাজ লবি। নেতানিয়াহু আশা করেছিলেন, ট্রাম্পের কাঁধে বন্দুক রেখে ইরান নামক এই ‘বিষধর সাপটি’ (উপমাটি অবশ্য সৌদি বাদশা আবদুল্লার) চিরতরে নাশ করা যাবে। অথচ দেখা গেল, সাপ তো মরলই না, উল্টো তাঁর নিজের লাঠিটিই ভেঙে খানখান। প্রকাশ্যে কিছু বলার ক্ষমতা তাঁর নেই, ট্রাম্প যা বলবেন তার বিরুদ্ধাচরণ করে টিকে থাকা তাঁর পক্ষে অসম্ভব। টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, ক্ষিপ্ত নেতানিয়াহু সহকর্মীদের বলেছেন, এটি ট্রাম্পের চুক্তি, ইসরায়েলের নয়। বেসবলের উপমা ব্যবহার করে তিনি বলেছেন, এই চুক্তির ফলে ইরান ‘হোম রান’ করল। অর্থাৎ তারা যুক্তরাষ্ট্রকে গোহারা হারাল।

অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, নেতানিয়াহু চাইলে পুরো চুক্তিটি বানচাল করতে পারেন। তাঁর হাতের ‘ট্রাম্প কার্ড’ হলো লেবানন। সে বিবেচনা মাথায় নিয়ে নেতানিয়াহুকে কঠোর ভাষায় সতর্ক করে দিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে এক বিবৃতিতে তিনি ইসরায়েলি নেতাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন, ট্রাম্প ও যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলের পক্ষে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাই অসম্ভব। তিনি বলেছেন, যে অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে আপনাদের দেশকে রক্ষা করা হলো, ভুলে যাবেন না তার দুই-তৃতীয়াংশই এসেছে আমেরিকা থেকে।

কোনো সন্দেহ নেই, যে ফন্দি নিয়ে ট্রাম্প ইসরায়েলকে বগলদাবা করে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে গিয়েছিলেন, তার কোনোটাই অর্জিত হয়নি। সুপরিচিত অনুসন্ধানী সাংবাদিক জেরেমি স্কেহিল ‘ডেমোক্রেসি নাও’ পডকাস্টে বলেছেন, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু আশা করেছিলেন খুব সহজেই ইরানের বিপ্লবী সরকারকে হটিয়ে তাঁদের পছন্দমতো সরকার ক্ষমতায় বসাবেন এবং সে দেশের পারমাণবিক কর্মসূচি চিরতরে ইতি টানবেন। বাস্তবে তা সম্ভব হয়নি। ইরান যদিও বলছে সে পারমাণবিক অস্ত্র বানাবে না—যে কথা সে ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তিতেও বলেছিল—কিন্তু পারমাণবিক শক্তি শান্তিপূর্ণ কাজে ব্যবহার করবে না, সে কথা সে কখনোই বলেনি। হয়তো মেনেও নেবে না। স্কেহিলের কথায়, পারমাণবিক অস্ত্র প্রশ্নে ইরানের প্রতিশ্রুতিকে ট্রাম্প মস্ত এক বিজয় বলে দাবি করছেন বটে, কিন্তু সে কথা তো ইরান ২০১৫ সালে ওবামা আমলের চুক্তিতেই বলেছিল। তাহলে এত অর্থ-অস্ত্র-লোকবল ক্ষয় করে যুদ্ধ কেন? আর হরমুজ প্রণালি তো যুদ্ধের আগে খোলাই ছিল। স্কেহিলের কথায়, এটা একটা ‘ম্যানুফাকচারড ভিক্টরি’ বা কৃত্রিম বিজয় ছাড়া অন্য কিছু নয়।

আরও বিস্ময়ের কথা, একসময় ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি বাতিলের জন্য ট্রাম্প গোঁ ধরেছিলেন। এখন উল্টো গান শোনাচ্ছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, ইরানের প্রতিবেশীদের যদি ব্যালিস্টিক মিসাইল থাকে, তাহলে ইরানের কেন থাকবে না? একই কথা পারমাণবিক অস্ত্র নিয়েও বলা যায়, যদিও ট্রাম্পকে সে প্রশ্নে কেউ চেপে ধরেনি।

.

স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন ওঠে, যে চুক্তি প্রশ্নে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সমর্থকেরা, বিশেষত ইসরায়েল, এমন কঠোর নেতিবাচক অবস্থান নিয়েছে, তা জেনেও তিনি কেন এমন চুক্তিতে সম্মত হলেন? স্পষ্টতই প্রধান কারণ রাজনৈতিক। কয়েক মাস পরেই যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন। জনমত জরিপ থেকে স্পষ্ট, এই যুদ্ধের কারণে অর্থনীতির যে বেহাল অবস্থা, তার জন্য আমেরিকার অধিকাংশ মানুষই ট্রাম্পকে দায়ী করছে। সব আগাম হিসাব-নিকাশে থেকে মনে হচ্ছে, এই নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ভরাডুবি ঠেকানো কঠিন—কঠিন কেন, অসম্ভব—হবে। তবু শেষ চেষ্টা হিসেবে তিনি যুদ্ধের রাশ টেনে ধরলেন। তাঁর বিশ্বাস, হরমুজ প্রণালি খুলে দিলেই তেলের দাম কমবে, তাঁর ওপর চাপ কমে আসবে।

অন্য কারণ, যা তিনি গত সপ্তাহে জি-৭ শীর্ষ বৈঠকে নিজেই বলেছেন। তাঁর কথায়, আমি চাই না আমার দশা হার্ভাট হুভারের মতো হোক। পাঠকের মনে থাকতে পারে, ১৯২৯-এ যে মন্দাবস্থা আমেরিকাসহ সারা বিশ্বের ওপর জাঁকিয়ে বসে, ভুল হোক বা ঠিক হোক তার জন্য সে সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হার্ভাট হুভারকে দায়ী করা হয়। ট্রাম্প ভালো করেই জানেন, হরমুজ প্রণালি ঘিরে বিশ্বজুড়ে যে অর্থনৈতিক জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে, তা দীর্ঘস্থায়ী হলে সত্যি সত্যি ১৯২৯-সালের মতো অবস্থা হতে পারে। তিনি চান না পৃথিবী তাঁকে হুভারের মতো বাঁকা চোখে স্মরণ করুক।

.

বাজি ধরতে হলে বলতে হয়, টেকা-না টেকার সম্ভাবনা ৫০/৫০। ইরান যদি স্মারক সমঝোতার প্রথম ৬০ দিনে বা আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পর তার শর্ত পালন না করে তাহলে ফের যুদ্ধ শুরুর আগাম হুমকি দিয়ে রেখেছেন ট্রাম্প। তবে এই চুক্তি ভন্ডুলের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি যে কারণে তা হলো ইসরায়েল ও নেতানিয়াহু। অনেকেই বলছেন, নিজের রাজনৈতিক নিরাপত্তা সুরক্ষার জন্যই নেতানিয়াহু লেবানন প্রশ্নে এই চুক্তির শর্ত মেনে চলবেন না। তিনি লেবানন থেকে সৈন্য সরিয়ে আনার ব্যাপারে আদৌ আগ্রহী নন, এ কথা তিনি নিজেই জানিয়েছেন। এখন পর্যন্ত লেবাননে হামলা বন্ধ করেনি ইসরায়েল। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে।

ট্রাম্প যদি এই চুক্তি ইসরায়েলের ওপর চাপিয়ে দিতে চায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নিয়ে ভাবতে হবে, এমন কথা বলেছেন কট্টরপন্থী ইসরায়েলি মন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ।

অন্য কারণ ট্রাম্প নিজে। তিনি যদি ভাবেন এই চুক্তির ফলে তিনি রাজনৈতিকভাবে ঠকে গেলেন, তাহলে যেকোনো মুহূর্তে ‘এই চুক্তি বাতিল’ বলে লাফিয়ে উঠতে পারেন।

.

এই চুক্তি যদি টিকে যায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে যেতে পারে, ক্রমাগত যুদ্ধ অথবা যুদ্ধাবস্থা থেকে হাঁপ ছেড়ে বাঁচতে পারে।

এই চুক্তি ইরানকে আগের চেয়ে শক্তিশালী করবে, সে কারণে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোও উদ্বিগ্ন। কিন্তু প্রতিবেশী এই দেশের সঙ্গে অব্যাহত উত্তেজনার বদলে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা অনেক বেশি জরুরি, এ কথা উপসাগরীয় দেশগুলো বুঝতে পেরেছে। আরব আমিরাতের দৈনিক খালিজ টাইমস লিখেছে, এই চুক্তির পর আমরা এখন হাঁপ ছেড়ে বাঁচলাম। বড়সড় যুদ্ধের বদলে আমরা যে এখন শান্তির কথা বলছি, তা সমালোচনার বদলে উদ্‌যাপন করা উচিত।

যে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ তহবিলের কথা এই চুক্তিতে বলা হয়েছে, তার সিংহভাগই আসবে এসব দেশ থেকে। ইরানের অর্থনীতির যে বেহাল অবস্থা, তাতে এই মোটা অঙ্কের টাকা তাদের খুব উপকারে আসবে তাতে সন্দেহ নেই। সে কারণে অধিকাংশ বিশেষজ্ঞের ধারণা, ইরান নিজ থেকে এই চুক্তি ভাঙবে না।

বিগত ৪৭ বছর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র কার্যত যুদ্ধাবস্থার মধ্যে থেকেছে। সেই পরিস্থিতি বদলে গেলে শুধু এই অঞ্চলের নয়, সারা বিশ্বেই তার বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। হরমুজ প্রণালির কারণে ইতিমধ্যে এশিয়া ও আফ্রিকার অর্থনীতিতে বড় রকমের ঘা লেগেছে। বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, এই যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে বিশ্বের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে এক দশমিক তিন শতাংশে গড়াতে পারে।

এই চুক্তির দীর্ঘমেয়াদি তাৎপর্য নিয়ে এখনো বিস্তর কথা চালাচালি হচ্ছে। সন্দেহবাদীদের সংখ্যাই বেশি, কিন্তু এমন লোকও আছে যারা এই চুক্তিকে ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সম্পাদিত ঐতিহাসিক সমঝোতার সঙ্গে তুলনা করেছেন। তাদের একজন হলেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স, যাকে এই স্মারক সমঝোতার প্রধান রূপকার হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। সেই সফর ও পরবর্তী সময়ে সম্পাদিত চুক্তির মাধ্যমে একসময়ের এই দুই শত্রু একে অপরের কৌশলগত মিত্রতে পরিণত হয়। সম্ভাবনার অর্থে ইরান চুক্তি তেমন ফলাফল অর্জনে সক্ষম।

অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে, কিন্তু ট্রাম্প নিজে একাধিকবার বলেছেন, পৃথিবীর প্রকৃত মহান কোনো দেশ অনন্তকাল অন্য দেশের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে থাকে না, থাকতে পারে না। একই কথা বলেছেন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক প্রশ্নে। ‘আমাদের দুই দেশ অনন্তকাল একে অপরের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হবে, তা মোটেই বাস্তবসম্মত নয়।’ যে ট্রাম্প একসময় ইরানকে ধূলিসাৎ করার কথা বলেছিলেন, সেই তিনি যে শান্তির কথা বলছেন, তা ঠাট্টার বিষয় নয়, স্বস্তির বিষয়।

চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ষাট দিনের সময়-ঘণ্টা চলা শুরু হয়েছে। আমাদের প্রার্থনা থাকবে, এই চুক্তির বাস্তবায়নের মাধ্যমে এক ক্রুদ্ধ ও করুণ সময় অতিক্রম করে পৃথিবী যেন দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তাচক্রে প্রবেশে সক্ষম হয়।

  • হাসান ফেরদৌস প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক

  • মতামত লেখকের নিজস্ব