ত্রিভুজ প্রেম, পারিবারিক দ্বন্দ্ব কিংবা জোরপূর্বক বিয়ে—দশকের পর দশক ধরে পাকিস্তানি সিরিয়ালের গল্পগুলো প্রায় একই রকম। ধীরে ধীরে ফর্মুলা থেকে ভিন্নধর্মী গল্প বলছেন নির্মাতারা।
দর্শকেরাও বৈচিত্র্যময় গল্পে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন। এসব গল্পে প্রচলিত প্রেমের গল্পের বাইরে সামাজিক, মানসিক ও কাঠামোগত বাস্তবতাকে তুলে ধরে।
সাম্প্রতিক সময়ে ‘শামশের’, ‘রাজা লন্ডন কা’ ও ‘ভানওয়ার’ সিরিয়ালে প্রেম থাকলেও পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ইস্যু উঠে এসেছে। সিরিয়ালগুলো আলোচিত হয়েছে।
.‘থ্রি ইডিয়টস’ দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে পুরো হল ভাড়া করলেন পাকিস্তানি যুবক.শামশের: হকি খেলোয়াড়ের গল্প
এটি প্রচলিত পারিবারিক সিরিয়ালের চেয়ে আলাদা। খেলাধুলাকে উপজীব্য করে সিরিয়ালটি নির্মিত হয়।
এতে পাকিস্তানের খ্যাতিমান এক হকি খেলোয়াড়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারহান সাঈদ। চরিত্রটিকে একসময় সমাজে অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখা হতো, পরে সেই সমাজই তাঁকে ভুলে যায়।
রোমান্টিক টানাপোড়েনের বদলে নাটকটি ব্যর্থতা, আত্মমর্যাদাকে তুলে ধরেছে।
হকিকে পটভূমি হিসেবে ব্যবহার করায় এটি ঘরোয়া দ্বন্দ্বনির্ভর পরিচিত গল্প থেকে ভিন্নতা এনেছে। নাটকটিতে আরও অভিনয় করেছেন হারিম ফারুক, ওমর আলম, বেহরোজ সবজওয়ারি।
রাজা লন্ডন কা: প্রেমের ত্রিভুজের চেয়েও বেশি কিছু
সিরিয়ালটিতে প্রেম রয়েছে, তবে প্রেমই সবকিছু নয়। এতে লুন্ডা বাজারের বুদ্ধিমান তরুণ রাজা চরিত্রে অভিনয় করেছেন সমর জাফরি, অভিজাত পরিবারের উত্তরাধিকারী আদিল সুলতানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাভিয়ার নওমান ইজাজ।
রানির চরিত্রে অভিনয় করেছেন আমিনা সেলিম। জাফরির সঙ্গে তাঁর অনস্ক্রিন রসায়নও প্রশংসিত হয়েছে।
.ভানওয়ার: সমসাময়িক সামাজিক ইস্যুকে তুলে ধরেছে
সিরিয়ালে সাইবার অপরাধ ও অনলাইন ব্ল্যাকমেইলের মতো বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। এর মূল চরিত্র একজন সাংবাদিকের, যিনি সাইবার অপরাধের ঘটনাকে উন্মোচন করেন। এতে অভিনয় করেছেন আলী সাফিনা, আসাদ সিদ্দিকি, মনশা পাশা, আরিকা হক।
দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন অবলম্বনে






