আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীমকে কলকাতায় অপহরণ ও খুনের ঘটনায় করা মামলায় আসামি শিমুল ভূঁইয়ার জামিন স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক আজ রোববার এ আদেশ দেন।
হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ ৮ জুন রুল দিয়ে শিমুল ভূঁইয়াকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। এই জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। আসামিপক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান।
.আনোয়ারুল হত্যা: দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় খালে তল্লাশি, হাড় উদ্ধার.পরে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক মুক্তকণ্ঠকে বলেন, আসামি শিমুলের জামিন স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। এ সংক্রান্ত রুল (জামিন প্রশ্নে) হাইকোর্টে শুনানি করতে বলা হয়েছে।
২০২৪ সালের ১২ মে ঝিনাইদহ-৪ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় যান। সেখানে তিনি এক পরিচিতজনের বাসায় ওঠেন। পরদিন ওই বাসা থেকে বেরোনোর পর থেকে তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। আনোয়ারুল আজীমকে হত্যার পর তাঁর লাশ টুকরা টুকরা করে ব্যাগে ভরে সরানো হয়। এর কিছু অংশ কলকাতার একটি খালে ফেলা হয়।
.আনোয়ারুলকে হত্যার পর আওয়ামী লীগ নেতার ফোনে ছবি পাঠানো হয় .আনোয়ারুলকে অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২০২৪ সালের ২২ মে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন তাঁর মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস।
২০২৪ সালের ১৩ মে কলকাতার নিউ টাউন এলাকার সঞ্জিভা গার্ডেন্সের একটি ফ্ল্যাটে তাঁকে খুন করা হয়। ওই ফ্ল্যাটের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে কলকাতা পুলিশ বাংলাদেশ পুলিশকে এ তথ্য জানায়।
এরপর ঢাকা থেকে শিমুল ভূঁইয়া, তানভীর ভূঁইয়া ও শিলাস্তি রহমানকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। ওই মামলায় শিমুল ভূঁইয়া, শিমুল ভূঁইয়ার ভাতিজা তানভীর ভূঁইয়া ও শিলাস্তি রহমান স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
.ডিবির ব্যস্ততায় ‘থেমে গেছে’ কলকাতায় আনোয়ারুল হত্যাকাণ্ড তদন্ত





