ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে এক মাদ্রাসাছাত্রী শিশুকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে রেখে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে আবার ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করলে তা মামলা হিসেবে রেকর্ড করে পুলিশ।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আল আমিন (৩৭)। তিনি গফরগাঁও উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। থানায় মামলা হওয়ার পর থেকে তিনি পলাতক। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মামলার সংক্ষিপ্ত এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শিশুটি স্থানীয় একটি ক্যাডেট মাদ্রাসায় পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। গফরগাঁওয়ের একটি পরিত্যক্ত ইবতেদায়ি মাদ্রাসার ভেতর গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর ধর্ষণের শিকার হয় শিশুটি। সেদিন মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে আল আমিন শিশুটিকে বিস্কুট কিনে দেওয়ার কথা বলে নিয়ে ধর্ষণ করেন এবং নিজের মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ করে রাখেন। বিষয়টি কাউকে না বলতে ভয়ভীতি দেখান। সেই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে গত বৃহস্পতিবার শিশুটিকে আবার ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। শিশুটি দৌড়ে পালিয়ে বাড়ি ফিরে স্বজনদের কাছে সব খুলে বলে।
শিশুটির মা মুক্তকণ্ঠকে বলেন, ‘আমার মেয়েকে নির্যাতন চালিয়ে তার ভিডিও করে রাখে আল আমিন। সেই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেবে বলে আমার মেয়েকে সব সময় আতঙ্কগ্রস্ত করে রাখত, ধর্ষণ করতে চাইত। আমার মেয়ের সঙ্গে যা ঘটেছে, এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’
গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে রেখে ব্ল্যাকমেলে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ পেয়েছেন। সেটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হওয়ার পর পুলিশ জানতে পারে। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত পালিয়ে গেছেন। তাঁকে ধরতে পুলিশের অভিযান শুরু হয়েছে।






