২০১৯ সালের কুয়েতে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা এক বিচ্ছেদ নিয়ে গবেষণায় কেস স্টাডি হিসেবে প্রকাশিত হওয়ায় নতুন করে আলোড়ন তুলেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এটি। বলা হচ্ছে, এটাই বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষণস্থায়ী বিয়ে।

প্রতিবেদন অনুসারে, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে নবদম্পতি আদালত ভবন থেকে বের হচ্ছিলেন। তখন নববধূ হোঁচট খেয়ে পড়ে যাওয়ার উপক্রম হলে স্বামী তাঁকে সাহায্য না করে ‘স্টুপিড’ বলে কটাক্ষ করেন।

এই ‘রেড ফ্ল্যাগ’ সংকেতকে নববধূ গুরুত্ব দেন এবং আর এগোতে চাননি। ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি তাৎক্ষণিক আদালতে ফিরে যান এবং বিচারকের কাছে বিয়ে বাতিলের আবেদন করেন। বিচারক দ্রুত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।

বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর থেকে আদালতে ফিরে গিয়ে বিচ্ছেদের আবেদন করতে সময় লেগেছিল মাত্র ৩ মিনিট। ফলে এটি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষণস্থায়ী বিয়ে হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নথিভুক্ত হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকে নববধূর সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন। তাঁদের মতে, বিয়ের শুরুতেই অপমানজনক আচরণ হলে ভবিষ্যতে সম্পর্ক আরও খারাপ হতে পারে।

একজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, “সেই মুহূর্তে তিনি সেরা সিদ্ধান্তটাই নিয়েছেন। যে দাম্পত্য জীবন সম্মান ছাড়াই শুরু হয়, সেটি টিকিয়ে রাখার কোনো মানে নেই।”

আরেকজন লিখেছেন, “সাহসী নারী, আপনাকে স্যালুট। আপনার জীবন অনেক সুন্দর হোক। যে নারীরা অসম্মানের সম্পর্কে থাকবেন কি না, তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছেন, তাঁদের জন্য আপনি আদর্শ। পৃথিবীতে আত্মসম্মানের চেয়ে বড় কিছু নেই।”

এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দেয় যে কোনো সম্পর্কেই পারস্পরিক সম্মান ও সহানুভূতি অত্যন্ত জরুরি।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া