ফেনী সদরের শর্শদি ইউনিয়নের চোছনা গ্রামে নির্মাণাধীন এক ভবনের কক্ষে বালুর নিচে চাপা পড়ে এক নারীর লাশ পাওয়া গেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে পুলিশ এই লাশ উদ্ধার করে। নিহত নারী রিনা বেগম (৪০)। তিনি সৌদি আরব প্রবাসী মোহাম্মদ মানিকের স্ত্রী এবং তাঁর এক মেয়ে ও দুই ছেলে রয়েছে।
পুলিশ, নিহতের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জানানি অনুযায়ী, নির্মাণাধীন ভবনটি ছিল রিনা বেগমের। ওই ভবন থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে তিনি সন্তানসহ এক ভাড়া বাসায় বাস করতেন। গতকাল দুপুরে ভবনের নির্মাণকাজ তদারশির জন্য তিনি সেখানে যান এবং তারপর নিখোঁজ হন। বিকেল থেকে সন্তানেরা তাঁকে খুঁজতে থাকেন। রাতে এক ছেলে ভবনে গিয়ে দেখেন, এক কক্ষের মেঝে ভরাটির জন্য ফেলা বালু ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। সন্দেহে বালু সরাতেই মায়ের লাশ বেরিয়ে আসে। ছেলের চিৎকারে এলাকাবাসীরা জড়ো হয়ে পুলিশকে জানায়।
নিহতের প্রতিবেশী মো. রাসেল বলেন, গতকাল ওই ভবনে এক শ্রমিক একা কাজ করছিলেন। তাঁকে গতকাল রাত থেকে এলাকায় দেখা যাচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে, তিনিই রিনা বেগমকে হত্যা করে লাশ বালুর নিচে চাপা দিয়েছেন।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম বলেন, লাশ প্রাথমিক সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শ্বাসরোধে হত্যার পর ওই নারীকে বালুচাপা দেওয়া হয়েছে। নিহত নারীর গলায় আঙুলের ছাপ রয়েছে।
ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মু. সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। অভিযুক্ত নির্মাণশ্রমিকে আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।






