২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলে ব্রাজিলের প্রতিভাবান তরুণ এস্তেভাও নাম নেই প্রাথমিক ৫৫ সদস্যের স্কোয়াডে। সাম্প্রতিক সময়ে কোচ কার্লো আনচেলত্তির ভরসাভাজন হয়ে ওঠায় অনেক সমর্থক তাঁকে নিয়ে স্বপ্ন বুনছিলেন। কিন্তু চোটের কারণে তিনি টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছেন।
গত এপ্রিল মাসের শেষ দিকে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে ভুগছেন এস্তেভাও। তখন আশা করা হয়েছিল, তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে বিশ্বকাপ দলে স্থান করে নেবেন। কিন্তু ইএসপিএন বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ব্রাজিল ও চেলসির চিকিৎসক দল টুর্নামেন্টের আগে এস্তেভাওয়ের শতভাগ ফিট হয়ে ওঠার নিশ্চয়তা দিতে পারেনি।
এস্তেভাও নিজেও বুঝতে পেরেছেন, বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা খুবই কম। গত সপ্তাহে চিকিৎসার জন্য সাবেক ক্লাব পালমেইরাসে ফিরে যাওয়ার পর তাঁকে বিমর্ষ অবস্থায় দেখা গেছে বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো। সব মিলিয়ে চেলসির এই উইঙ্গারকে বাদ দিয়েই কোচ আনচেলত্তি ৫৫ জনের প্রাথমিক স্কোয়াড জমা দিয়েছেন বলে ইএসপিএন জানিয়েছে। ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবো’ও এস্তেভাওয়ের প্রাথমিক স্কোয়াডে না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, জাতীয় দলগুলোকে ১১ নভেম্বরের মধ্যে ৫৫ জনের প্রাথমিক স্কোয়াড জমা দিতে হয়। এ তালিকা প্রকাশ না করলেও চূড়ান্ত ২৬ সদস্যের দল কেবল এই তালিকা থেকেই নিতে হয়।
সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি সত্যি হলে এস্তেভাওয়ের ছিটকে পড়া ব্রাজিলের জন্য বড় ধাক্কা। ১৯ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় গত এক বছরে ‘সেলেসাও’দের হয়ে আলো ছড়িয়েছেন। মাঠের ডান প্রান্তে তাঁর গতি ও ধারালো আক্রমণ দলের বড় ভরসা হয়ে উঠেছিল। চোটের আগে তাঁকে বিশ্বকাপ দলে প্রায় নিশ্চিত মনে করা হচ্ছিল।
আনচেলত্তির অধীনে ব্রাজিলের হয়ে ৭ ম্যাচে ৫ গোলের পাশাপাশি ৫টি গোল করিয়েছেন এস্তেভাও। ইতালিয়ান কোচের অধীনে ব্রাজিলের কোনো ফুটবলারের এটাই সর্বোচ্চ গোল ও অ্যাসিস্ট। তাঁর খেলায় চিরায়ত ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের সৌন্দর্যও রয়েছে।
গুরুতর চোটের কারণে আগে এদের মিলিতাও ও রদ্রিগো বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়েন। সেই তালিকায় এবার যোগ হয়েছে এস্তেভাও। তবে ৩৪ বছর বয়সী নেইমার চতুর্থ বিশ্বকাপের পথে এগিয়ে গেছেন। সূত্রের দাবি, ৫৫ সদস্যের প্রাথমিক দলে ফরোয়ার্ড হিসেবে জায়গা পেয়েছেন ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার। ৭৯ গোল করা এই তারকা ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর আর ব্রাজিলের জার্সিতে খেলেননি।






