হাইকোর্ট বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচিত কমিটি ভেঙে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তের কার্যক্রম স্থগিত করার দাবিতে দায়ের রিটটি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন।
বিচারপতি রাজিক–আল–জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার এই আদেশ জারি করেন। ফলে অ্যাডহক কমিটি যথারীতি কার্যক্রম চালাতে পারবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবী।
আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে গত ৭ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করে। এই সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে আইনজীবী মো. গোলাম কিবরিয়াসহ সুপ্রিম কোর্টের সাত আইনজীবী ৩০ এপ্রিল রিট দায়ের করেন।
শুনানিতে রিটের পক্ষে আইনজীবী মো. গোলাম কিবরিয়া নিজে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং বিসিবির পক্ষে আইনজীবী মাহিন এম রহমান শুনানি করেন।
রিটে বলা হয়েছে, বিসিবির নির্বাচিত কমিটি ভেঙে ৭ এপ্রিল ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, এ বিষয়ে রুল জারি করা হোক। রুল হলে নির্বাচিত কমিটি ভেঙে অ্যাডহক কমিটি গঠনের ৭ এপ্রিলের সিদ্ধান্তের কার্যক্রম স্থগিত করা হোক। রিটে যুব ও ক্রীড়া সচিব, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চেয়ারম্যান, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন পরিচালক এবং বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতিকে বিবাদী করা হয়।
জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের প্রধানত্বে গঠিত এই ১১ সদস্যের কমিটিতে আরও দুই সাবেক ক্রিকেটার মিনহাজুল আবেদীন ও আতহার আলী খান রয়েছেন। অন্য সদস্যরা হলেন বিএনপির সংসদ সদস্য ববি হাজ্জাজের স্ত্রী রাশনা ইমাম, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাস, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ছেলে সাঈদ ইব্রাহিম আহমদ ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদের ছেলে ইসরাফিল খসরু।
কমিটিতে আরও রয়েছেন তানজিল চৌধুরী, মির্জা সালমান ইস্পাহানি, রফিকুল ইসলাম ও ফাহিম সিনহা। তানজিল চৌধুরী প্রাইম ব্যাংকের চেয়ারম্যান, মির্জা সালমান ইস্পাহানি ইস্পাহানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান, রফিকুল ইসলাম ইন্দিরা রোড ক্রীড়াচক্রের কর্মকর্তা এবং ফাহিম সিনহা একমি ল্যাবরেটরিজের পরিচালক। ফাহিম সিনহা আগে নাজমুল হাসান, ফারুক আহমেদ ও আমিনুল ইসলামের বিসিবি বোর্ডেও ছিলেন।






