চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টার সাঁটানোর একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এসব পোস্টারে গ্রেপ্তার নেতা-কর্মীদের মুক্তি দাবি করা হয়েছে।

আজ সোমবার সকালে এই ঘটনার একটি ভিডিও এবং কয়েকটি ছবি ফেসবুকের বিভিন্ন আইডি ও পেজে শেয়ার করা হয়। খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, গতকাল রোববার রাতে এসব পোস্টার শাটল ট্রেনে সাঁটানো হয়। তবে আজ সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি শাটল ট্রেনে কোথাও এ ধরনের পোস্টার আর দেখা যায়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিওটি এক মিনিটের। এতে দেখা যায়, রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি শাটল ট্রেন নগরের বটতল স্টেশনে থেমে আছে। ভিডিওতে ট্রেনে সাঁটানো দুটি পোস্টার স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মো. কামরুল হোসেন বলেন, “শাটল ট্রেন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থানকালে এভাবে পোস্টার লাগানো সম্ভব নয়। বটতল স্টেশনে হয়তো কেউ লাগাতে পারে। আমাদের এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, “এরা পোস্টার লাগায়, আবার নিজেরা ছেঁড়ে। পোস্টার লাগানোর ভিডিও কখনো ফেসবুকে দেয়, কখনো গণমাধ্যমকে জানায়। নতুন করে পোস্টার লাগানোর কোনো বিষয়ে কেউ আমাদের কিছুই জানায়নি।”

চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল হাসান জানান, “কেউ বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেনি। তবে আমরা সচেতন রয়েছি। এ ঘটনায় কাউকে শনাক্ত করতে পারলে ছাড় দেওয়া হবে না। আমাদের আড়ালে কিছু লোক হয়তো এ কাজ করেছে।”