‘খুব কাছের কেউ’ নাটকের জন্য মেরিল-মুক্তকণ্ঠ সেরা অভিনেতা (সমালোচক) পুরস্কার পেয়েছেন অভিনেতা এফ এস নাঈম। পুরস্কারপ্রাপ্তির পর সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে নাঈম জানান, তিনি কৃতজ্ঞ, সম্মানিত ও আবেগাপ্লুত। পুরস্কার পাওয়াটা সত্যিই অবিশ্বাস্য লাগছে।

নাঈম ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমার পথচলা শুরু সংগীতশিল্পী হিসেবে (১৯৯৬-২০০৩), এরপর ২০০০ সালে মডেলিং, ২০০৪ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উপস্থাপনা, আর ২০০৬ থেকে ২০২৫–অভিনয়ে নিজের জায়গা করে নেওয়ার চেষ্টা। বিনোদনজগতে ২৫ বছরের এই পথচলা শুরু হয়েছিল একেবারে শূন্য থেকে, শুধুই কিছু স্বপ্ন নিয়ে।’

পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতিতে নাঈম লিখেছেন, ‘আজ আমি শুধু একটি পুরস্কার নয়, আমার পথচলার প্রতিটি ধাপ, সংগ্রাম আর শেখাকে উদ্‌যাপন করছি।’

সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নাঈম লিখেছেন, ‘মুক্তকণ্ঠ পরিবার ও সম্মানিত জুরি বোর্ডকে আন্তরিক ধন্যবাদ আমার কাজের ওপর বিশ্বাস রাখার জন্য। কৃতজ্ঞতা জানাই চরকি, শহরিয়ার শাকিল (আলফা-আই), আমার পরিচালক আরাফাত মহসিন নিধি—এই চরিত্রে আমাকে বিশ্বাস করার জন্য। রাবা খানকে ধন্যবাদ পাশে থাকার জন্য, এবং আমার সহশিল্পী সুনেরাহকে—এই পথচলায় পাশে থাকার জন্য।’

ইন্ডাস্ট্রির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এফ এস নাঈম আরও লিখেছেন,‘আমার পুরো ইন্ডাস্ট্রির প্রতি কৃতজ্ঞতা—সিনিয়র, পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, প্রযোজক, লাইট-ক্রু, ক্যামেরা টিম, স্পটবয়, প্রোডাকশন টিম, সহশিল্পী, সাংবাদিক, সব জাতীয় টিভি চ্যানেল—বিশেষ করে চ্যানেল আই, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচই ও চরকিকেও। আর সবচেয়ে বড় ধন্যবাদ আমার দর্শকদের—আপনারাই এই গল্পের অংশ।’

পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অভিনেতা লিখেছেন, ‘আমি কৃতজ্ঞ আমার পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি—আমি যখনই হোঁচট খেয়েছি, আপনারা পাশে থেকেছেন।’

ক্যারিয়রের প্রথম দিকের স্মৃতি স্মরণ করে নাঈম লিখেছেন, ‘শুরুতে যখন আসতাম, শুধু একটা আমন্ত্রণ পাওয়ার জন্যই অনুরোধ করতে হতো। দ্বিতীয় তলায় বসে অনুষ্ঠান দেখতাম, ধীরে ধীরে সামনে এসেছি। পেছনের সারি থেকে সামনে—আর আজ হাতে এই পুরস্কার নিয়ে দাঁড়ানো—অনুভূতিটা একেবারেই অন্য রকম।’

সবশেষ অভিনেতা লিখেছেন, ‘এটি শুধু একটি পুরস্কার নয়; এটি মনে করিয়ে দেয়—ধৈর্য, পরিশ্রম আর বিশ্বাসের ফল একদিন না একদিন পাওয়া যায়। সবাইকে ধন্যবাদ, যারা এই পথে পাশে ছিলেন। এটি কেবল শুরু।’