দাদার শূন্য কাজের ঘর থেকে একটি কাঠের বাক্স পেয়েছিল ছেলেটি। সেখানে থাকত দাদার রং, তুলি আর তেল রঙের কাজে ব্যবহারের জন্য লিনসিড অয়েলের শিশি। উত্তরাধিকারের সেই ধারা পরবর্তীকালে প্রজন্মজয়ী হয়েছিল ছেলেটির হাত ধরেই। মায়ের আদরের সেই ছেলেটির প্রথমে যা রাখা হয়েছিল, পছন্দ হয়নি নবজাতকের বাবার। পরিবর্তন করে নতুন নামকরণ হয় ‘সত্যজিৎ’। তিনি প্রখ্যাত শিশু সাহিত্যিক সুকুমার রায় ও সুপ্রভা রায়ের সন্তান। দাদা ছিলেন সে যুগের এক প্রতিভাবান শিশু সাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী। ২ মে ১৯২১ সালে জন্ম নেওয়া এ মানুষটির জাগতিক ভ্রমণ শেষ হয় ১৯৯২ সালের ২৩ এপ্রিল। আজ প্রয়াণ দিবসে ফেসবুক থেকে সংগৃহীত বিভিন্ন ছবিতে আরেকবার জেনে নিই সত্যজিৎ রায়কে।
এলভিস প্রিসলির বিদেশ সফর আটকে দিতেন কে
১৬ আগস্ট, ২০২৬ এ ৮:১৫ অপরাহ্ণ