মুক্তকণ্ঠ ট্রাস্টের উদ্যোগে অনলাইনে একটি মাদকবিরোধী পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আওতায় ২০২৬ সালের ৩১ জানুয়ারি সভায় কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের মনোবিদ ডা. রাহেনুল ইসলাম ‘শিশুদের স্কুল ভীতি: অভিভাবকের করনীয়’ বিষয়ে আলোচনা করেন। এই আলোচনা থেকে উঠে আসা ৩টি পরামর্শ নিম্নরূপ।
১। সুস্থ বন্ধন চেনার উপায়
ডা. রাহেনুল ইসলাম জানান, শিশুর সঙ্গে বাবা-মায়ের সম্পর্ক কতটা স্বাভাবিক তা বোঝা যায় দীর্ঘ সময় পর তাদের পুনর্মিলনের মুহূর্তে। যদি শিশু বাইরে থেকে ফিরে কিছুক্ষণ আদর পাওয়ার পর নিজের খেলায় ফিরে যায়, তাহলে বোঝা যায় তাদের বন্ধন সুস্থ। কিন্তু শিশু যদি অতিরিক্ত আঁকড়ে ধরে থাকে বা পুরোপুরি এড়িয়ে চলে, তবে এটি উদ্বেগের বিষয় হতে পারে।
২। 'অদৃশ্য সুতোর টান' ও শিশুর বিকাশ
চার-পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে একটি 'নির্দ্বিধামূলক দূরত্ব' কার্যকর হয়। শিশু মাঠে দৌড়োলে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে বারবার পেছনে তাকিয়ে দেখে তার ভরসার মানুষটি আছে কি না। বয়স বাড়ার সঙ্গে এই দূরত্ব বাড়ার কথা। যদি শিশু ১০ ফুট দূরে যেতেও ভয় পায়, তাহলে তার মানসিক বিকাশে সমস্যা থাকতে পারে।
৩। কখন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবেন?
স্কুল শুরুর প্রথম কয়েক দিন বা সপ্তাহ এমন আচরণ স্বাভাবিক। তবে ডা. রাহেনুল ইসলামের মতে, "যদি একটানা ছয় মাস পার হওয়ার পরও অভিভাবককে ক্লাসের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, তবে বুঝতে হবে শিশু এবং অভিভাবক—উভয়ের মনেই কোনো সমস্যা বা ভীতি কাজ করছে।" এমন পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।






