আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) হিসাবের ভিত্তি বছর বদলে যাবে। এতে জিডিপির আকার আরও বৃহৎ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আজ সোমবার আগারগাঁওয়ের জাতীয় পরিসংখ্যান ভবনে জিডিপি হিসাব সংক্রান্ত এক সেমিনারে এই তথ্য প্রকাশ পায়। সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। এখানে জিডিপি হিসাবের বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয় তুলে ধরা হয়।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিবিএসের উপপরিচালক তোফায়েল আহমদ। তিনি বলেন, ১০ বছর পরপর ভিত্তি বছর পরিবর্তন করা হয়। সেই অংশ হিসেবে আগামী অর্থবছরে আবার পরিবর্তন হচ্ছে।
জিডিপির ভিত্তি বছর বদলানোর সময় অর্থনীতিতে অবদান রাখা নতুন খাত যুক্ত হয়। আবার যে খাতগুলো একসময় অবদান রাখত, এখন আর তারা অবদান দেয় না। সেগুলো বাদ দেওয়া হয়।
জমি নাকি ফলগাছ, কোনটি জিডিপির হিসাবে আসে
জিডিপির হিসাব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিবিএসের উপপরিচালক তোফায়েল আহমদ বলেন, জমি কেনাকে বড় বিনিয়োগ মনে করা হলেও জিডিপির হিসেবে এটি বিনিয়োগ গণ্য হয় না। বরং একটি ফলগাছ লাগালে সেটি বিনিয়োগ হিসেবে গণনা করা হয়। কারণ, গাছটি থেকে বছরের পর বছর ফল পাওয়া যায়। কিন্তু জমি কেনার মাধ্যমে শুধু মালিকানা বদল হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি বলেন, ‘তথ্য-উপাত্ত হতে হবে নির্ভরযোগ্য। কোনো গালগল্প চলবে না। বর্তমান সরকার নির্দেশ দিয়ে কোনো তথ্য-উপাত্ত তৈরি করতে চায় না। যথার্থ তথ্য ও উপাত্তের ওপর দেশের বিকাশমান অর্থনীতিকে দাঁড়াতে হবে। তাই আমরা চাই বিবিএস প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শক্তিশালী হোক।’
বিবিএসের মহাপরিচালক মো. ফরহাদ সিদ্দিক বলেন, ‘আমাদের কাজের পদ্ধতি জানানোর জন্যই আজকের সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে।’






