বুন্দেসলিগায় এক মৌসুমে সবচেয়ে বেশি গোলের নিজেদের রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। পরশু মৌসুমের পাঁচ ম্যাচ বাকি থাকতেই এই রেকর্ড স্থাপিত হয়েছে। এখন বায়ার্নের সামনে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের সামগ্রিক রেকর্ড ভাঙার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, যদিও শেষ পাঁচ ম্যাচে ২১ গোল করা একটু কঠিন হবে।

তাহলে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের অন্য চারটিতে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড কার দখলে?

জার্মানির বুন্দেসলিগায় বায়ার্ন মিউনিখের একচ্ছত্র আধিপত্য। শীর্ষ সাত রেকর্ডের সবটাই এই বাভারিয়ান ক্লাবের। পরশু রাতে সেন্ট পাউলিকে ৫-০ গোল করে বায়ার্ন নিজেদের পুরোনো রেকর্ড ভেঙেছে। পাঁচ ম্যাচ হাতে রেখে ২৯ ম্যাচে ১০৫ গোল করেছে তারা। আগের রেকর্ড ছিল ১০১ গোল, যা ১৯৭১-৭২ মৌসুমে ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, গার্ড মুলারদের বায়ার্ন গড়েছিল। এই মৌসুমে বায়ার্নের সবচেয়ে বেশি গোল হ্যারি কেইনের—২৬ ম্যাচে ৩১ গোল। লুইস দিয়াজ (১৫) ও মাইকেল ওলিস (১২) দুজনের গোলও দুই অঙ্ক ছাড়িয়েছে।

ইংল্যান্ডের প্রিমিয়ার লিগে রেকর্ড ম্যানচেস্টার সিটির। ২০১৭-১৮ মৌসুমে ১০৬ গোল করে তারা আট মৌসুম আগে চেলসির ১০৩ গোলের রেকর্ড ভেঙেছিল। সিটি আরও দুবার গোলের সেঞ্চুরি অর্জন করেছে। সেই রেকর্ড মৌসুমে সের্হিও আগুয়েরো ২১ গোল করে সিটির হয়ে সবচেয়ে বেশি গোল করেছিলেন।

স্পেনের লা লিগায় শিরোপা জয়ের মতো গোলের রেকর্ডও রিয়াল মাদ্রিদের। ২০১১-১২ মৌসুমে ১২১ গোল করে তারা নিজেদের ১৯৮৯-৯০ মৌসুমের ১০৭ গোলের রেকর্ড ভেঙেছে। ওই মৌসুমে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ৪৬ গোল করলেও সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে পারেননি, কারণ বার্সার লিওনেল মেসি ৫০ গোল করেছিলেন।

ইতালির সিরি ‘এ’তে রেকর্ডটা অনেক পুরোনো। ১৯৪৭-৪৮ মৌসুমে ৪০ ম্যাচে তুরিনো ১২৫ গোল করে রেকর্ড গড়ে। ৩৮ ম্যাচের লিগে এসি মিলান ১৯৪৯-৫০ মৌসুমে ১১৮ গোল করেছে। শীর্ষ দশের ৯টি গত শতকের ৪০-৫০ দশকের, ব্যতিক্রম ২০১৯-২০ মৌসুমে আতালান্তার ৯৮ গোল।

ফ্রান্সের লিগ আঁয়ে ২০১৬-১৭ মৌসুমে মোনাকো ১০৭ গোল করে রেকর্ড গড়ে। পরের মৌসুমে পিএসজি ১০৮ গোল করে সেটা ভেঙেছে। মজার বিষয়, দুই দলেই ছিলেন তরুণ কিলিয়ান এমবাপ্পে। তখন লিগ ছিল ৩৮ ম্যাচের। ৩৪ ম্যাচের লিগে গত মৌসুমে পিএসজি ৯২ গোল করে শীর্ষ পাঁচে জায়গা করে নিয়েছে।