ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে সাত বছরের এক শিশুকে অঙ্গহানি করে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করার ঘটনায় আদালত তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড ও দুজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা সালাহউদ্দিন, মো. শরিফুল ইসলাম ওরফে কোরবান মিয়া এবং খন্দকার ওমর ফারুক। বয়স বিবেচনায় ১০ বছর করে কারাদণ্ড পেয়েছেন মো. রমজান ও সাদ্দাম। অভিযোগ সন্দেহাতীত প্রমাণিত না হওয়ায় কাউসার ও নাজমা আক্তারকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল–৪–এর বিচারক মুন্সী মো. মশিউর রহমান রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে প্রত্যেক দণ্ডিতকে পাঁচ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড। দণ্ডিতদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলাম করে জরিমানার টাকা ভুক্তভোগী পরিবারকে হস্তান্তর করতে ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশিত হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে শরিফুল ইসলাম ও খন্দকার ওমর ফারুক কারাগারে আছেন। তবে পলাতক সালাহউদ্দিন, রমজান ও সাদ্দামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুসারে, ২০১০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মো. উমেদ আলীর সাত বছর বয়সী ছেলে নিয়ামুল বাড়ির বাইরে খেলতে যায়। তখন আসামিরা তাকে কামরাঙ্গীরচর থানার পাকাপুল রোডের বেড়িবাঁধ–সংলগ্ন পরিত্যক্ত একটি ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে তার লিঙ্গ কেটে ফেলা হয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে জখম করা হয়। রাত ১০টার দিকে আহত শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা করে।






