২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা’ চলচ্চিত্রটি মার্কিন লেখক লরেন ওয়াইসবার্গারের উপন্যাসের উপর ভিত্তি করে নির্মিত কমেডি। এটি পরিচালনা করেন ডেভিড ফ্র্যাঙ্কেল। সিনেমায় অভিনয় করেছেন মেরিল স্ট্রিপ ও অ্যান হ্যাথাওয়ে। দুই দশক পর সিক্যুয়েল নিয়ে ফিরছেন তারা। ২৯ এপ্রিল মুক্তি পাবে ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা ২’।
গত সোমবার সিউলে এক সংবাদ সম্মেলনে ছবিটি নিয়ে কথা বলেন স্ট্রিপ। ২০০৬ সালের প্রথম ছবিটি নিয়ে তিনি বলেন, প্রথম ছবিটি এত বড় পরিসরে সাড়া ফেলবে, তা তিনি ভাবেননি। তাঁর ভাষায়, ‘নারী ও তরুণীদের মধ্যে ছবিটি জনপ্রিয় হবে জানতাম, কিন্তু বড় দর্শকগোষ্ঠীর কাছে এমন সাফল্য আমাকে অবাক করেছে। অনেক পুরুষও এসে বলেছে, তারা আমার চরিত্রটি বুঝতে পেরেছে—এটা আমার জন্য বিশেষ।’
দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাদা ২-এর লাল গাউনে সবার মাথা ঘুরিয়ে দিলেন ৭৬ বছরের মেরিল স্ট্রিপ। এবারও মিরান্ডা প্রিস্টলি চরিত্রে দেখা যাবে তাঁকে। দ্রুত বদলে যাওয়া মিডিয়াজগতে টিকে থাকার লড়াইয়ে রানওয়ে ম্যাগাজিনের নেতৃত্বে থাকবেন তিনি। অ্যান্ডির চরিত্রে ফিরছেন অ্যান হ্যাথাওয়ে। এবার তিনি নবীন নন, হয়েছেন অভিজ্ঞ অনুসন্ধানী সাংবাদিক। কাহিনির একপর্যায়ে আবারও প্রিস্টলির সঙ্গে কাজ করতে দেখা যাবে তাঁকে।
হ্যাথাওয়ের মতে, দুই ছবির মাঝে ২০ বছরের ব্যবধান খুব বেশি নয়। ‘প্রথম ছবিতে অ্যান্ডির বয়স ছিল ২২, অভিজ্ঞতা কম ছিল। এখন সে জীবন দেখেছে, দক্ষতা, দৃষ্টিভঙ্গি ও আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে,’ বলেন তিনি। প্রথম ছবিটি নিজের ক্যারিয়ারে বড় প্রভাব ফেলেছিল বলেও জানান এই অভিনেত্রী। ‘এটি আমার জন্য অনেক সুযোগ তৈরি করেছে। দর্শক আমাকে কীভাবে গ্রহণ করে, তা বুঝতে সাহায্য করেছে। ফলে পরে আমি আরও ঝুঁকি নিতে পেরেছি,’ বলেন তিনি।
ছবির বার্তা নিয়ে খুব বেশি ব্যাখ্যায় যেতে চান না স্ট্রিপ। তাঁর কথায়, ‘কোনো নির্দিষ্ট বার্তা চাপিয়ে দিতে চাই না। দর্শক মজা খুঁজবে, পাশাপাশি বর্তমান সময়ের গুরুতর বিষয়গুলোর আভাস পাবে—যা খুশি, সেখান থেকেই নেবে।’ কোরিয়া সফর নিয়েও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন দুই তারকা। কোরিয়া টাইমস অবলম্বনে।






