অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আবুল হাসানকে এই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে একজন বিচারপ্রার্থীর কাছ থেকে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানিয়েছেন।
আবুল হাসানকে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। আজ সোমবার আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-পিপি শাখা) প্রজ্ঞাপন জারি করে তাঁর নিয়োগ বাতিল করে অব্যাহতির কথা জানায়। প্রজ্ঞাপনে নিয়োগ বাতিলের কারণ উল্লেখ করা হয়নি।
এ বিষয়ে মুক্তকণ্ঠের প্রতিনিধিকে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, “আবুল হাসানের বিরুদ্ধে এক বিচারপ্রার্থীর কাছ থেকে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। একটি মামলায় স্থগিতাদেশ রয়েছে, সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে দেবেন, এমন আশ্বাসে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা গ্রহণ করেন বলে অভিযোগকারী (বিচারপ্রার্থী) জানিয়েছেন।”
দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে গত ২৫ মার্চ রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলকে নিয়োগ দেন। ২৯ মার্চ তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর ৩১ মার্চ এই অভিযোগ তাঁর দৃষ্টিগোচর হয় বলে অ্যাটর্নি জেনারেল জানান। তিনি বলেন, এর আগে অভিযোগটি অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে দাখিল হয়েছিল। তিনি আইনজীবী আবুল হাসানের কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁর জবাব সন্তোষজনক ছিল না।
এর আগে ২ এপ্রিল সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আহমদ মুসাননা চৌধুরী ও মুহা. মুজাহিদুল ইসলাম ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। তাঁরাও বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট নিয়োগপ্রাপ্ত হন। ওই দুই সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগপত্র দেওয়ার আগপর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে এএজির সংখ্যা ছিল ২৩০। আর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের সংখ্যা ১০৩।






