ফরিদপুরের নগরকান্দায় চলমান পাট মৌসুমে খেতে সেচ নির্বিঘ্ন চালাতে উপজেলা প্রশাসন কৃষকদের জন্য এলাকাভিত্তিক চারটি ফিলিং স্টেশন নির্ধারণ করেছে।
এই স্টেশনগুলো থেকে পৌরসভা ও উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের প্রত্যেক গ্রামের সেচপাম্প, পাওয়ারটিলার মালিক এবং কৃষকরা জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারবেন। এতে কৃষকদের কষ্ট অনেকাংশে কমবে বলে আশা করছে স্থানীয় প্রশাসন।
গতকাল রোববার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
নির্ধারিত চারটি ফিলিং স্টেশন হলো উপজেলার জয়বাংলা মোড়ের মেসার্স মুন্সি ফিলিং স্টেশন, উপজেলা সদরের মেসার্স শফিউদ্দিন ফিলিং স্টেশন, তালমা মোড়ের মেসার্স মজিদ ফিলিং স্টেশন এবং মহিলা রোডের মেসার্স তোফাজ্জউদ্দীন ফিলিং স্টেশন।
ইউএনও মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, নগরকান্দার কৃষকদের জ্বালানি তেল সংগ্রহের জন্য এই চারটি ফিলিং স্টেশন নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে উপজেলার জয়বাংলা মোড়ের মেসার্স মুন্সি ফিলিং স্টেশন থেকে চরযশোরদী, পুরাপাড়া ও কাইচাইল ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের কৃষকেরা জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারবেন। উপজেলা সদরের মেসার্স শফিউদ্দিন ফিলিং স্টেশন থেকে নগরকান্দা পৌরসভা, কোদালিয়া শহীদনগর ও ফুলসুতি ইউনিয়নের কৃষকেরা তেল সংগ্রহ করবেন। তালমা মোড় এলাকার মেসার্স মজিদ ফিলিং স্টেশন থেকে লস্করদিয়া ও তালমা ইউনিয়নের কৃষকেরা তেল পাবেন এবং মহিলা রোড এলাকার মেসার্স তোফাজ্জউদ্দীন ফিলিং স্টেশন থেকে রামনগর ও ডাঙ্গী ইউনিয়নের কৃষকেরা তেল নেবেন।
এসব ফিলিং স্টেশন ঢাকা-খুলনা, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক এবং ফরিদপুর-জয়বাংলা আঞ্চলিক সড়কের পাশে অবস্থিত হওয়ায় কৃষকদের জন্য তেল সংগ্রহ ও জমিতে নিয়ে যাওয়া সহজ হবে।
ইউএনও আরও বলেন, কৃষকদের সুবিধার্থে এই তালিকা প্রতিটি ফিলিং স্টেশনের দৃশ্যমান স্থানে বড় আকারে টাঙিয়ে দেওয়া হবে। পাশাপাশি তেল সংগ্রহের সময় ভিড় এড়াতে এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাঁশের লাইন তৈরি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
ইউএনও মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, যেকোনো রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নির্ধারিত ফিলিং স্টেশনের জন্য নির্ধারিত ট্যাগ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁরা ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের মজুত ও কৃষকের চাহিদার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন।






