চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় সন্ত্রাসীদের ছররা গুলি ও ধারালো অস্ত্রের হাতাহাতিতে চারজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন ১২ বছরের শিশু। আজ শনিবার রাত ১০টার দিকে নগরের বাকলিয়া থানার মিয়া খান নগর ময়দার মিল এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে।
পুলিশের জানানো মতে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসী মোরশেদ খানের অনুসারীরা প্রতিপক্ষ আব্দুস সোবাহান ও শওকতের অনুসারীদের লক্ষ্য করে ছররা গুলি ছোড়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। মোরশেদ খান নিজেকে বিএনপি নেতা পরিচয় দেন। নগর পুলিশের ৩০০ দুষ্কৃতকারীর তালিকায় তার নাম রয়েছে।
আহত চারজন হলেন মো. হাসান, জসিম, ইসমাইল মিয়া ও ফাহিম। এদের মধ্যে ফাহিম ১২ বছরের শিশু। সকলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আহত চারজনের পায়ে ছররা গুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্ত্রাসীরা হঠাৎ প্রতিপক্ষ সোবাহান ও শওকতের অনুসারীদের উদ্দেশ্যে গুলি ছোড়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করে। এতে প্রতিপক্ষের কেউ আহত না হলেও পথচারী, সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক ও ময়দার মিলের কর্মচারী আহত হন।
পুলিশ জানায়, নগর পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী মোরশেদ খান ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এলাকায় ফিরে আসেন। এর আগে তিনি দীর্ঘদিন দেশের বাইরে ছিলেন। এলাকায় ফিরে এসে তাঁকে প্রতিপক্ষ সোবাহান ও শওকত মারধর করে এলাকাছাড়া করেন। এই ঘটনার প্রতিশোধ নিতে মোরশেদ খানের অনুসারীরা শনিবার প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালায়। কিন্তু প্রতিপক্ষের কেউ আহত না হলেও সাধারণ মানুষ আহত হন।
জানতে চাইলে বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান রাতে মুক্তকণ্ঠকে বলেন, "পূর্ববিরোধের জেরে সন্ত্রাসী মোরশেদ খানের অনুসারীরা গুলি করলে পথচারীরা আহত হন। এই ঘটনায় পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মোরশেদ খানের পাঁচ অনুসারীকে আটক করে।" ঘটনায় জড়িত অস্ত্রধারী ও বাকিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।






