সাম্প্রতিক সময়ে জয়পুরহাটসহ উত্তরাঞ্চলে আলু চাষে ব্যাপক ক্ষতির জন্য অকার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং খালগুলোর অচলাবস্থাকে দায়ী করেছেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। তিনি বলেন, খালগুলো সচল থাকলে পানি নিষ্কাশন স্বাভাবিক থাকত এবং কৃষকদের এই বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হতো না।
শুক্রবার দুপুরে কালাই উপজেলার মাত্রাই এলাকায় কানামুনি-হারাবতী নদীর সংযোগ খাল উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সরকার ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসন এবং উৎপাদিত অতিরিক্ত ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টন আলুর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে, যাতে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পান।
তিনি বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় নিম্ন আয়ের মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা অন্যতম লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য বিশেষ ভাতার মতো কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়া, কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আরা, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইব্রাহীম হোসেন ফকির, যুগ্ম আহ্বায়ক মওদুদ আলম এবং কালাই পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীমসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাটের কানামুনি-হারাবতী খালের প্রায় ৬ কিলোমিটার পুনঃখনন কাজের জন্য ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৭১ লাখ টাকা। প্রকল্পটির বাস্তবায়ন ও তদারকি করবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, যা এলাকায় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।






