যশোরের কেশবপুর উপজেলার হিজলডাঙ্গা গ্রামে আসামি গ্রেপ্তারের সময় গ্রামবাসীরা পুলিশের এক এসআইসহ দুই কনস্টেবলকে মারধর করে আসামিকে ছিনিয়ে নেয়। পুলিশের জানানো মতে, পরে আজ বৃহস্পতিবার তাকে আবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসমত আলীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ গতকাল বুধবার রাত দেড়টার দিকে হিজলডাঙ্গা গ্রামে আসামি ধরতে যান। এ গ্রামের আমিনুদ্দিনের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেনকে (৩৫) বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে এলাকার লোকজন ওই আসামিকে ছিনিয়ে নেন। এ সময় কেশবপুর থানার এসআই আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও হাবিবুল্লাহ (৩০) আহত হন। শহিদুল ইসলামকে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
শহিদুল ইসলাম বলেন, তিনি যখন আসামিকে ধরে রাখার চেষ্টা করেন, তখন তাঁকে বুকে আঘাত করা হয় এবং তাঁর হাতের একটি আঙুলও আঘাতপ্রাপ্ত হয়। লোকজন তাঁর কাছ থেকে আসামি ছিনিয়ে নেন।
কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, আসামি গ্রেপ্তার করার পর মসজিদে মাইকিং করে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হয়; বলা হয়, ওই আসামিকে পুলিশ পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। এ খবর শুনে এলাকাবাসী একত্র হয়ে সেই আসামিকে ছিনিয়ে নেন। জাহাঙ্গীর হোসেন তিনটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। পরে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সীমান্ত এলাকা থেকে ওই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।






