গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকার মেসার্স আবদুল আলী ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালিয়ে যৌথ বাহিনী ৩৩ হাজার লিটার ডিজেল ও অকটেন জব্দ করেছে। সোমবার রাত ৮টার দিকে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে ২৮ হাজার লিটার ডিজেল এবং ৫ হাজার লিটার অকটেন উদ্ধার করা হয়েছে। জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত এখন বাড়ি, দোকান ও গোয়ালঘরেও চিহ্নিত হচ্ছে।
সরকার জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ধরতে সারা দেশে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। সোমবার (৩০ মার্চ) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৩ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত ৬৪ জেলায় মোট ৩ হাজার ১৬৮টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এতে ২ লাখ ৮ হাজার ৬৫০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ঘটনায় ১ হাজার ৫৩টি মামলা দায়ের হয়েছে, যার মধ্যে ১৬টিতে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
গাজীপুরের কোনাবাড়ী অভিযান শেষে সেনাবাহিনীর মেজর শরিফুল আহমেদ ভূঁইয়া সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা পাম্পে গিয়ে দেখি দড়ি দিয়ে বাধা রয়েছে। অন্যান্য স্থানে যেমন ভিড় দেখা যায় এই পাম্পে আমরা তেমন ভিড় দেখতে পাইনি। পরে অভিযান চালিয়ে ২৮ হাজার লিটার ডিজেল ও ৫ হাজার ৪০০ লিটারের মতো অকটেন মজুত অবস্থায় জব্দ করি।”
জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত–পাচারকারীদের সঠিক তথ্য দিলে লাখ টাকা পুরস্কার।






