গত বছর অভিষেকেই ‘সাইয়ারা’ ছবিতে অভিনয় করে ঝড় তুলেছিলেন অনীত পড্ডা। কিন্তু এবার একটি মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষককে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসরণ করা এবং তাঁর বোনের মন্তব্য নিয়ে তিনি তুমুল বিতর্কের সংকটে জড়িয়ে পড়েছেন।

কী নিয়ে বিতর্ক
বিতর্কের সূচনা হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে। ব্যবহারকারীরা লক্ষ্য করেন, অনীত পড্ডা মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষক হাসান পিকারকে অনুসরণ করছিলেন। এরপর একটি পুরোনো মন্তব্য ভাইরাল হয়, যেখানে হাসান পিকার ভারতকে ‘টেররিস্ট স্টেট’ বা ‘সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র’ বলে অভিহিত করেছিলেন বলে দাবি করা হয়। এই অভিযোগ নিয়ে অনলাইনে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করেন।

বিতর্ক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন—জনপ্রিয় তারকা হিসেবে এমন একজনকে অনুসরণ করা কতটা দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত।

‘আনফলো’ করেও থামেনি আলোচনা
বিতর্কের মাঝে খবর আসে, অনীত পরে হাসান পিকারকে আনফলো করেছেন। কিন্তু ততক্ষণে সমালোচনা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল পোস্ট, ভিডিও এবং নানা মন্তব্যে বিষয়টি আরও উত্তপ্ত হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক কনটেন্ট নির্মাতা এটিকে ‘চিন্তার বিষয়’ বলে উল্লেখ করেন এবং তারকাদের ডিজিটাল আচরণ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়।

পারিবারিক মন্তব্যে বাড়ে জটিলতা
বিতর্কে নতুন মোড় যোগ করে অনীতের বোন রীত পড্ডার কিছু মন্তব্য। তিনি ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’সহ কয়েকটি চলচ্চিত্র নিয়ে মতামত দিয়েছিলেন, যেগুলোকে কেউ কেউ ‘সরকারঘনিষ্ঠ বয়ান’ হিসেবে দেখেন। এছাড়া আদিত্য ধরের হিট ছবি ‘ধুরন্ধর’ নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।

আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়েও তাঁর বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দেয়। ফলে অনেক ব্যবহারকারী অনীত পড্ডাকেও এতে জড়িয়ে ফেলেন, যদিও তিনি নিজে কোনো সরাসরি মন্তব্য করেননি।

নীরবতা ও জল্পনা
এখন পর্যন্ত অনীত পড্ডা বা তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, তাঁর বোন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট ব্যক্তিগত করে দিয়েছেন। কাজের দিক থেকে অনীত বর্তমানে নতুন ছবি ‘শক্তিশালিনী’ নিয়ে ব্যস্ত।

ইন্ডিয়াডটকম অবলম্বনে